সুপার মেগাক্লাস – নূরী তাজাল্লী ও সপ্ত আসমান
কুরআন, সুন্নাহ ও তাসাওউফের নিগূঢ় দর্শনে সাজানো এই মেগাক্লাসটি নূরী কালিমার তাজাল্লী এবং সপ্ত আসমানের গুপ্ত রহস্য উন্মোচনের এক অনন্য আধ্যাত্মিক গাইডলাইন। রূহানী সুরক্ষাবলয় (হাজিরাতে রহমানী) নির্মাণ করে প্রথম থেকে সপ্তম আসমান পর্যন্ত নবীগণের ফয়েজ লাভ এবং আলমে বারযাখের রহস্য ভেদের গোপন তরিকা এখানে ধাপে ধাপে শেখানো হয়েছে। এটি কেবল কোনো আমল নয়, বরং আসমানী স্পন্দনের সাথে নিজের রূহকে যুক্ত করে ফানাফিল্লাহর মাকামে পৌঁছানোর এক মহাজাগতিক সফর।
-
- কোর্সের লক্ষ্য: আসমানী কালিমার তাজাল্লী ও সপ্ত আসমানের রূহানী ফয়েজ লাভের মাধ্যমে নফসকে পরিশুদ্ধ করে মহান রবের প্রতি পূর্ণ সমর্পণ (ফানাফিল্লাহ) অর্জন করা।
3,555.00৳
অধ্যায় ১: নূরী তাজাল্লীর হাকিকত ও আসমানী কালিমার গুপ্ত রহস্য
ভূমিকা: রবের পবিত্র নাম ও আসমানী কালিমার বাতেনী শক্তি
১.১ আসমানী ইসমে আযম বা নূরী কালিমার তাসাওউফী পরিচয়
১.২ সপ্ত আসমান ও আলমে গায়েবের নূরী মাখলুকাতের সাথে রূহানী সংযোগ
১.৩ সৃষ্টির গভীরে লুকিয়ে থাকা রূহানী স্পন্দনের আসমানী হাকিকত
১.৪ গায়েবী ফয়েজ লাভের জন্য এই গুপ্ত বিদ্যার শরয়ী শর্তাবলি
১.৫ পূর্ববর্তী সাধকদের গোপন রাখা এই মহাবিদ্যার প্রথম উম্মোচন
১.৬ আমল কবুল হওয়ার পূর্বশর্ত: হালাল রিযিক ও ইখলাস (বিশুদ্ধ নিয়ত)
১.৭ শয়তানের ওয়াসওয়াসা ও নফসের সন্দেহ দূর করে একীনে কামেল স্থাপন
১.৮ আমলকারীকে অবশ্যই আমানতদার ও শরীয়তের পাবন্দ হতে হবে
১.৯ এই বিদ্যাকে হারাম কাজে বা বিনা অনুমতিতে ব্যবহারের ভয়াবহ পরিণতি
১.১০ মোরাকাবা: আসমানী কালিমার নূরী স্পন্দনের সাথে ক্বলবের সংযোগ
উপসংহার: রূহানী শক্তির অসীমতার সামনে রবের মহত্ত্ব ও নিজের ক্ষুদ্রতা স্বীকার
অধ্যায় ২: হাজিরাতে রহমানী: আসমানী সুরক্ষাবলয় ও গায়েবী ঢাল
ভূমিকা: শয়তানের প্ররোচনা থেকে ক্বলবকে নিরাপদ রাখার কোরআনী বর্ম
২.১ হাজিরাতে রহমানীর হাকিকত ও এর বাতেনী সুরক্ষাবলয়
২.২ রূহানী আমলের পূর্বে আল্লাহর দরবারে শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা
২.৩ সূরা বাকারার ২৫৫ নং আয়াতের (আয়াতুল কুরসী) গায়েবী তাজাল্লী
২.৪ সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াতের (২২-২৪) মাধ্যমে নূরী পাহারাদার নিযুক্তকরণ
২.৫ সূরা মারিয়ামের (৩৫-৩৬) আয়াতে রবের পবিত্রতা ও একত্ববাদের ঘোষণা
২.৬ সূরা ইয়াসিনের ৮২ নং আয়াতের (কুন ফায়াকুন) আসমানী ক্ষমতা অনুধাবন
২.৭ সূরা বুরুজের ১৬ নং আয়াতের রূহানী ফয়েজ ক্বলবে ধারণ করা
২.৮ আমলের পূর্বে ৩ বার তাওবাহ ও ১১ বার দরুদে ইবরাহীম পাঠের নিয়ম
২.৯ নির্দিষ্ট সংখ্যায় (৭/২১/৪১/৫৫ বার) হাজিরাতে রহমানী জপের হিকমত
২.১০ মোরাকাবা: নিজেকে একটি অভেদ্য আসমানী নূরের দুর্গের ভেতর দর্শন
উপসংহার: সুরক্ষাবলয় তৈরির পর রবের হেফাজতের ওপর পূর্ণ তাওয়াক্কুল
অধ্যায় ৩: প্রথম আসমান (রকীয়াহ মাকাম): হযরত আদম (আ:)-এর রূহানী ফয়েজ
ভূমিকা: প্রথম আসমানের নূরী মাখলুকাত ও মানবজাতির পিতার সংযোগ
৩.১ প্রথম আসমান বা রকীয়াহ মাকামের রূহানী ও বাতেনী পরিচয়
৩.২ এই মাকামের নূরী ফেরেশতা ও মাখলুকাতের আসমানী ডিউটি
৩.৩ হযরত আদম (আ:)-এর রূহের সাথে বাতেনী নিসবত (সংযোগ) স্থাপন
৩.৪ “আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লাহু আর রহমানু…” কালিমার গায়েবী তাজাল্লী
৩.৫ আর-রহমান নামের স্পন্দনে ক্বলবে রবের অসীম দয়ার উদয়
৩.৬ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পর ৭ বার এই নূরী কালিমা জপের নিয়ম
৩.৭ রাতের নীরবতায় ঘুমের পূর্বে ৫১ বার জপের মাধ্যমে ফয়েজ হাসিল
৩.৮ যেকোনো নেক মাকসাদে ৭ থেকে ২১ দিনের সাধনার শরয়ী পাবন্দি
৩.৯ প্রথম আসমানের ফয়েজ লাভের পর নফসের বিনয় ও শূন্যতা অর্জন
৩.১০ মোরাকাবা: প্রথম আসমানের রহমতের নূরে নিজের রূহকে অবগাহন করানো
উপসংহার: মানব সৃষ্টির আদি পিতার উসিলায় রবের কাছে নেক আশা পেশ
অধ্যায় ৪: দ্বিতীয় আসমান (ফায়দূম মাকাম): হযরত ঈসা ও ইয়াহইয়া (আ:)-এর সংযোগ
ভূমিকা: দ্বিতীয় আসমানের পবিত্রতা ও রূহানী শক্তির বাতেনী রহস্য
৪.১ দ্বিতীয় আসমান বা ফায়দূম মাকামের গায়েবী ও আধ্যাত্মিক অবস্থান
৪.২ এই মাকামের নূরী ফেরেশতাগণের ইবাদত ও রূহানী স্পন্দন
৪.৩ হযরত ঈসা ও ইয়াহইয়া (আ:)-এর রূহের সাথে আত্মিক ফয়েজ লাভ
৪.৪ “আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লাহু আর রহীমু…” কালিমার আসমানী শক্তি
৪.৫ আর-রহীম নামের তাজাল্লীতে ক্বলবের যাবতীয় ব্যাধি ও জং দূরীকরণ
৪.৬ নামাজের পর ও ঘুমের পূর্বে নির্দিষ্ট সংখ্যায় জিকিরের বাতেনী প্রভাব
৪.৭ এই মাকামের সাধনায় ক্বলবে পরম করুণাময়ের রহমত অবতীর্ণ হওয়া
৪.৮ হালাল ও পবিত্র জীবনের প্রতি তীব্র আকর্ষণ এবং হারাম থেকে দূরত্ব
৪.৯ নির্দিষ্ট নেক কাজে ৭-২১ দিনের একনিষ্ঠ মুরাকাবার রূহানী ফল
৪.১০ মোরাকাবা: দ্বিতীয় আসমানের পবিত্র নূরের সাথে ক্বলবের সংযোগ স্থাপন
উপসংহার: আম্বিয়া কেরামের পবিত্র জীবনের উসিলায় রবের ক্ষমা প্রার্থনা
অধ্যায় ৫: তৃতীয় আসমান (মালাকুত মাকাম): হযরত ইউসুফ (আ:)-এর রূহানী ফয়েজ
ভূমিকা: তৃতীয় আসমানের সৌন্দর্য ও রূহানী আকর্ষণের গায়েবী রহস্য
৫.১ তৃতীয় আসমান বা হারিয়ূন মাকামের বাতেনী ও নূরী পরিচয়
৫.২ এই আসমানের ফেরেশতাগণের আসমানী দায়িত্ব ও জিকিরের স্পন্দন
৫.৩ হযরত ইউসুফ (আ:)-এর রূহের সাথে রূহানী নিসবত বা ফয়েজ হাসিল
৫.৪ “আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লাহু আল মা-লিকুল মুলকু…” কালিমার প্রয়োগ
৫.৫ আল-মালিকুল মুলক নামের জিকিরে দুনিয়াবী ও রূহানী রাজত্ব লাভ
৫.৬ এই কালিমার স্পন্দনে নিজের ব্যক্তিত্বে নূরানী দীপ্তি (হায়বাত) আনয়ন
৫.৭ নামাজের পর ৭ বার ও রাতে ৫১ বার জিকিরের গায়েবী প্রভাব
৫.৮ এই মাকামের ফয়েজে মানুষের অন্তরে নিজের প্রতি হালাল মোহাব্বত সৃষ্টি
৫.৯ ৭-২১ দিনের সাধনায় ক্বলবের সকল পেরেশানি ও গ্লানি দূর হওয়া
৫.১০ মোরাকাবা: তৃতীয় আসমানের নূরী সৌন্দর্যের মাঝে নিজের রূহের বিচরণ
উপসংহার: সকল সৌন্দর্য ও রাজত্বের প্রকৃত মালিক কেবল আল্লাহ—এই ঈমানী দৃঢ়তা
অধ্যায় ৬: চতুর্থ আসমান (যাহিরাহ মাকাম): হযরত ইদ্রিস (আ:)-এর গায়েবী সংযোগ
ভূমিকা: চতুর্থ আসমানের উচ্চ মাকাম ও রূহানী প্রজ্ঞার উন্মোচন
৬.১ চতুর্থ আসমান বা যাহিরাহ মাকামের গায়েবী ও আধ্যাত্মিক স্তর
৬.২ এই মাকামের নূরী মাখলুকাতের প্রজ্ঞা ও ইলমে লাদুনীর রহস্য
৬.৩ হযরত ইদ্রিস (আ:)-এর রূহের সাথে বাতেনী জ্ঞান ও ফয়েজ লাভ
৬.৪ “আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লাহু আসসালামু…” কালিমার রূহানী স্পন্দন
৬.৫ আস-সালাম নামের তাজাল্লীতে ক্বলবে চিরস্থায়ী প্রশান্তি (সাকিনাহ) আনয়ন
৬.৬ নামাজের পর ও ঘুমের পূর্বে এই কালিমার নিয়মিত জিকিরের হিকমত
৬.৭ এই মাকামের সাধনায় পার্থিব জীবনের যাবতীয় ভয় ও সংশয় দূর হওয়া
৬.৮ আসমানী জ্ঞান ও প্রজ্ঞার মাধ্যমে জীবনের সঠিক দিকনির্দেশনা লাভ
৬.৯ নির্দিষ্ট নেক মাকসাদে ৭-২১ দিনের মুরাকাবায় আসমানী মদদ প্রাপ্তি
৬.১০ মোরাকাবা: চতুর্থ আসমানের প্রশান্তির নূরে ক্বলবকে আলোকিত করা
উপসংহার: পরম শান্তি কেবল রবের পক্ষ থেকেই আসে—এই একীনে কামেল অর্জন
অধ্যায় ৭: পঞ্চম আসমান (মুযাইনা মাকাম): হযরত হারুন (আ:)-এর রূহানী ফয়েজ
ভূমিকা: পঞ্চম আসমানের শক্তি ও আসমানী সুরক্ষার বাতেনী রহস্য
৭.১ পঞ্চম আসমান বা মুসাহহারা মাকামের গায়েবী ও নূরী অবস্থান
৭.২ এই মাকামের শক্তিশালী ফেরেশতাগণের রূহানী পাহারাদারি ও জিকির
৭.৩ হযরত হারুন (আ:)-এর রূহের সাথে আত্মিক সংযোগ ও শক্তি লাভ
৭.৪ “আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লাহু আল মুহাইমিনুল আজীজু…” কালিমার শক্তি
৭.৫ আল-মুহাইমিনুল আজীজ নামের স্পন্দনে সকল বিপদ থেকে আসমানী হেফাজত
৭.৬ প্রতিদিন নামাজের পর ৭ বার ও রাতে ৫১ বার জিকিরের গায়েবী প্রভাব
৭.৭ এই মাকামের ফয়েজে শত্রু ও ফিতনাকারীর ওপর রূহানী বিজয় অর্জন
৭.৮ ক্বলবে অসীম সাহস ও রূহানী হিম্মতের সঞ্চার হওয়ার বাতেনী পদ্ধতি
৭.৯ ৭-২১ দিনের সাধনায় নিজের চারপাশের পরিবেশকে সুশৃঙ্খল করার শক্তি
৭.১০ মোরাকাবা: পঞ্চম আসমানের পরাক্রমশালী নূরের মাঝে নিজের রূহকে শক্তিশালী করা
উপসংহার: সকল ক্ষমতার উৎস আল্লাহ—এই তাওহীদী দর্শন অন্তরে গেঁথে নেওয়া
অধ্যায় ৮: ষষ্ঠ আসমান (খালিসাহ মাকাম): হযরত মুসা (আ:)-এর গায়েবী সংযোগ
ভূমিকা: ষষ্ঠ আসমানের জালালী তাজাল্লী ও রূহানী আধিপত্যের উন্মোচন
৮.১ ষষ্ঠ আসমান বা খালিসাহ মাকামের পবিত্রতা ও আসমানী পরিচয়
৮.২ এই মাকামের নূরী মাখলুকাতের জালালী জিকির ও রূহানী প্রভাব
৮.৩ হযরত মুসা (আ:)-এর রূহের সাথে বাতেনী নিসবত ও ফয়েজ হাসিল
৮.৪ “আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লাহু ইয়া জুল জালালি অল ইকরামু…” কালিমার প্রয়োগ
৮.৫ জুল জালালি অল ইকরাম নামের জিকিরে সৃষ্টির ওপর নূরানী প্রভাব (হায়বাত) সৃষ্টি
৮.৬ নামাজের পর ও ঘুমের পূর্বে নির্দিষ্ট সংখ্যায় জিকিরের আধ্যাত্মিক শক্তি
৮.৭ এই মাকামের সাধনায় জালেমের জুলুম প্রতিহত করার রূহানী ক্ষমতা লাভ
৮.৮ কঠিন ও অসম্ভব কাজকে রবের হুকুমে সহজ করার আসমানী তরিকা
৮.৯ ৭-২১ দিনের মুরাকাবায় আল্লাহর মহত্ত্ব ও দয়ার অপূর্ব সমন্বয় অনুভব
৮.১০ মোরাকাবা: ষষ্ঠ আসমানের জালালী ও জামালী নূরের তাজাল্লী দর্শন
উপসংহার: রবের প্রতাপ ও মহিমার সামনে নিজের সকল চাওয়াকে সমর্পণ করা
অধ্যায় ৯: সপ্তম আসমান (লাবিয়াহ মাকাম): হযরত ইব্রাহীম (আ:)-এর রূহানী ফয়েজ
ভূমিকা: সপ্তম আসমানের সর্বোচ্চ মাকাম ও বায়তুল মামুরের তাজাল্লী
৯.১ সপ্তম আসমান বা লাবিয়াহ মাকামের সর্বোচ্চ গায়েবী অবস্থান
৯.২ বায়তুল মামুরে নামাজ আদায়কারী অগণিত ফেরেশতাদের রূহানী স্পন্দন
৯.৩ হযরত ইব্রাহীম (আ:)-এর রূহের সাথে আত্মিক সংযোগ ও ইখলাস লাভ
৯.৪ “আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লাহুয়া রব্বুল আরশিল আজীমু…” কালিমার আসমানী শক্তি
৯.৫ রব্বুল আরশিল আজীম নামের জিকিরে রবের আরশের সাথে ক্বলবের সংযোগ
৯.৬ নামাজের পর ৭ বার ও রাতে ৫১ বার জিকিরের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ফয়েজ হাসিল
৯.৭ এই মাকামের সাধনায় ইবাদতে একনিষ্ঠতা (খুশু-খুজু) ও মারেফাত লাভ
৯.৮ দুনিয়ার মোহ ত্যাগ করে কেবল আল্লাহর প্রেমে (ইশকে ইলাহী) নিমগ্ন হওয়া
৯.৯ ৭-২১ দিনের সাধনায় দোয়া কবুলিয়াতের সর্বোচ্চ আসমানী মাকামে পৌঁছানো
৯.১০ মোরাকাবা: সপ্তম আসমান ও বায়তুল মামুরের অসীম নূরে ক্বলবকে বিলীন করা
উপসংহার: রবের আরশের ছায়ায় নিজের রূহকে সঁপে দিয়ে পূর্ণাঙ্গ আত্মসমর্পণ
অধ্যায় ১০: আলমে বারযাখ ও গায়েবী জগত: অদৃশ্য মাখলুকাতের সংযোগ
ভূমিকা: সাধারণ দৃষ্টির আড়ালে থাকা আলমে গায়েব ও অদৃশ্য মাখলুকাত
১০.১ আলমে বারযাখ বা অদৃশ্য গায়েবী জগতের শরয়ী ও বাতেনী পরিচয়
১০.২ এই জগতের মাখলুকাতের সাথে রূহানী সংযোগ স্থাপনের হিকমত
১০.৩ “আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লাহুয়াল হাইয়্যুল কাইয়্যুম…” কালিমার গায়েবী প্রভাব
১০.৪ আল-হাইয়্যুল কাইয়্যুম নামের তাজাল্লীতে অদৃশ্য শক্তিকে কল্যাণে ব্যবহার
১০.৫ নামাজের পর ৭ বার ও রাতে ৫১ বার জিকিরের মাধ্যমে গায়েবী মদদ লাভ
১০.৬ ৭-২১ দিনের সাধনায় আটকে থাকা কাজ বা কঠিন মুসিবত থেকে মুক্তি
১০.৭ আলমে বারযাখের ফয়েজকে কেবল শরীয়তসম্মত ও নেক কাজে ব্যবহারের কসম
১০.৮ গায়েবী মাখলুকাতের উপস্থিতিতে ভয়ভীতি দূর করে রবের ওপর তাওয়াক্কুল
১০.৯ এই বাতেনী শক্তি লাভের পর নফসের অহংকার (তাকাব্বুর) থেকে কঠোর আত্মরক্ষা
১০.১০ মোরাকাবা: চিরঞ্জীব রবের নূরে আলমে গায়েবের সকল রহস্য উন্মোচন
উপসংহার: সকল দৃশ্যমান ও অদৃশ্য জগতের একমাত্র নিয়ন্ত্রক আল্লাহ—এই বিশ্বাস স্থাপন
অধ্যায় ১১: রূহানী সাধনার শরয়ী নিয়মকানুন ও আমলের ধারাবাহিকতা
ভূমিকা: আসমানী কালিমা ব্যবহারের সহজ অথচ শক্তিশালী শরয়ী উপায়
১১.১ আসমানী ইসমে আযমগুলো আমল করার জন্য পবিত্রতা ও ওজুর গুরুত্ব
১১.২ প্রত্যেক আমলের শুরুতে ও শেষে ৩ বার তাওবাহ ও ১১ বার দরুদ শরীফ পাঠ
১১.৩ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পাবন্দি এবং হারাম রিযিক থেকে ক্বলবকে পবিত্র রাখা
১১.৪ দৈনন্দিন জীবনের ব্যস্ততার মাঝেও আমলের নির্দিষ্ট সংখ্যা ও সময় ঠিক রাখা
১১.৫ যেকোনো নেক মাকসাদের জন্য ৭ থেকে ২১ দিনের সাধনার বাতেনী বিজ্ঞান
১১.৬ আমল চলাকালীন নফসের তাড়না ও শয়তানের কুমন্ত্রণা এড়িয়ে চলা
১১.৭ আমলের ফলাফল দেরিতে আসলে হতাশ না হয়ে সবরের সাথে ইস্তিকামাত বজায় রাখা
১১.৮ অর্জিত রূহানী ফয়েজকে গোপন রাখা এবং আমানতদারির সাথে দ্বীনের কাজে লাগানো
১১.৯ কামেল শায়খ বা উস্তাদের নির্দেশ ও রূহানী তাওয়াজ্জুহের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা
১১.১০ মোরাকাবা: সকাল ও সন্ধ্যায় নূরী কালিমার আবরণে নিজেকে আচ্ছাদিত করা
উপসংহার: আমলের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে রূহানী মাকাম প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি করা
অধ্যায় ১২: ফানাফিল্লাহ ও রূহানী স্পন্দনের চূড়ান্ত সমর্পণ
ভূমিকা: নিজের ইচ্ছাকে রবের ইচ্ছায় বিলীন করে পূর্ণাঙ্গ আত্মসমর্পণ
১২.১ সকল আসমানী মাকাম ও রূহানী স্পন্দনকে নিজের ফিতরাতে (স্বভাবে) পরিণত করা
১২.২ সচেতন মন এবং বাতেনী ক্বলবের মাঝে আর কোনো পর্দা বা দেয়াল না থাকা
১২.৩ দুনিয়ার সকল চাওয়া-পাওয়ার ঊর্ধ্বে উঠে কেবল রবের সন্তুষ্টি কামনা
১২.৪ অভ্যন্তরীণ সারিবদ্ধতা: নিজের রূহকে রবের নূরের সাথে মেশানো
১২.৫ রূহানী কালিমার স্পন্দনে ফানাফিল্লাহর স্তরে পৌঁছে নিজের আমিত্ব ধ্বংস করা
১২.৬ গায়েবী জগতের সকল রহস্য জানার পরও বাহ্যিক শরীয়তের পূর্ণ পাবন্দি
১২.৭ সমস্ত গায়েবী ক্ষমতা পাওয়ার পরও নিজেকে রবের ক্ষুদ্র গোলাম মনে করা
১২.৮ রূহানী এই মহাজ্ঞানকে কেবল মানবকল্যাণ ও আত্মশুদ্ধিতে ব্যবহার
১২.৯ আজীবন এই আমলগুলো ধরে রাখার জন্য রবের কাছে ইস্তিকামাতের দোয়া
১২.১০ চূড়ান্ত মোরাকাবা: সকল হিসাব ভুলে কেবল রবের প্রেমে (ইশকে ইলাহী) ডুবে যাওয়া
উপসংহার: মেগাক্লাসের সমাপ্তি—আসমানী স্পন্দনের শক্তিতে রবের একনিষ্ঠ গোলামে পরিণত হওয়া