সুপার মেগাক্লাস – গহীন কূপ
কুরআন, সুন্নাহ ও তাসাওউফের নিগূঢ় দর্শনে সাজানো এই মেগাক্লাসটি ‘ইলহামে ইলাহী’ (গায়বী জ্ঞান) এবং আলমে মালাকুতের আসমানী বিদ্যা অর্জনের এক অনন্য আধ্যাত্মিক গাইডলাইন। রূহানী মাকাম পরিবর্তন, কাশফ উন্মোচন, ফেরেশতাদের সাথে গায়বী মোলাকাত এবং ৭০ হাজার নূরী ফেরেশতার মাধ্যমে সুরক্ষাবলয় নির্মাণ করে সিফলী আছর থেকে মুক্তির গোপন তরিকা এখানে শেখানো হয়েছে। এটি নফসের পর্দা সরিয়ে রবের সরাসরি নৈকট্য ও প্রজ্ঞা লাভের এক অনন্ত রূহানী সফর।
-
- কোর্সের লক্ষ্য: ইলহাম ও আলমে মালাকুতের গায়বী বিদ্যা অর্জনের মাধ্যমে নফসকে পরিশুদ্ধ করে সকল প্রকার সিফলী আছর থেকে আত্মরক্ষা এবং মহান রবের নৈকট্য লাভ করা।
3,555.00৳
অধ্যায় ১: রূহানী মাকাম ও ফিতরাত পরিবর্তন (জন্মগত স্বভাবের পরিশুদ্ধি)
ভূমিকা: আসমানী মাকাম ও রূহানী ফিতরাতের হাকিকত অনুধাবন
১.১ জন্মগত ফিতরাত (রাশি) এবং মানব রূহের ওপর তার গায়েবী প্রভাব
১.২ যেকোনো প্রতিকূল ফিতরাতকে ‘মিযান’ বা রূহানী ভারসাম্যে (তুলারাশি) পরিবর্তনের হিকমত
১.৩ রূহানী মাকাম পরিবর্তনের জন্য নির্দিষ্ট দিন, ক্ষণ ও পবিত্রতা অর্জন
১.৪ ৩ বার তাওবাহ ও ১১ বার দরুদ শরীফ পাঠের মাধ্যমে ক্বলবকে প্রস্তুতকরণ
১.৫ ফিতরাত পরিবর্তনের বিশেষ রূহানী ‘আযিমাত’ (দোয়া) ও তার গায়েবী শক্তি
১.৬ হে সকল ফিতরাতের সৃষ্টিকর্তা—বলে রবের কাছে মাকাম পরিবর্তনের ফরিয়াদ
১.৭ কোরআন ও আম্বিয়া কেরামের উসিলা দিয়ে নতুন নূরী মাকাম গ্রহণ
১.৮ এই গায়েবী আমলের পর নতুন ফিতরাতের নূরী ফয়েজ ক্বলবে অবতীর্ণ হওয়া
১.৯ মাকাম পরিবর্তনের পর নতুন স্বভাবের সাথে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার রিয়াজত
১.১০ মোরাকাবা: পুরনো মাকাম থেকে রূহকে নতুন ও পবিত্র মাকামে স্থানান্তরিত করা
উপসংহার: রবের কাছে ফরিয়াদ করলে তাকদীরের ক্ষতিকর প্রভাবও রহমতে বদলে যায়
অধ্যায় ২: ইলহামে ইলাহী: রবের পক্ষ থেকে সরাসরি গায়েবী বিদ্যা অর্জন
ভূমিকা: ইলমে লাদুনী ও রবের পক্ষ থেকে সরাসরি জ্ঞান লাভের আসমানী তরিকা
২.১ ইলহাম বা আসমানী গাইডেন্স লাভের জন্য ক্বলবকে সম্পূর্ণ শূন্য করার সাধনা
২.২ রবের পক্ষ থেকে গায়েবী জ্ঞান প্রাপ্তির তাসাওউফী ও শরয়ী শর্তাবলি
২.৩ নির্জনতা (খালওয়াত) এবং হালাল রিযিকের মাধ্যমে ক্বলবের পবিত্রতা রক্ষা
২.৪ নির্দিষ্ট কোরআনী আয়াত ও ইসমে আযমের জিকিরে খফী বা নীরব জপ
২.৫ জাগ্রত অবস্থায় ক্বলবে হঠাৎ আসা নূরী ফ্লাশ বা চিন্তার রূহানী অর্থ বোঝা
২.৬ সত্য স্বপ্ন (রুহিয়াতে সাদিকা)-এর মাধ্যমে গায়েবী ইশারা ও বিদ্যা প্রাপ্তি
২.৭ শয়তানের প্ররোচনা এবং রবের ইলহামের মাঝে সূক্ষ্ম পার্থক্য নির্ণয়
২.৮ ইলহামের মাধ্যমে প্রাপ্ত জ্ঞানকে শরীয়তের আলেমদের সাথে মিলিয়ে দেখা
২.৯ রবের পক্ষ থেকে আসা ইশারাকে সম্মান করে সেই অনুযায়ী নেক আমল করা
২.১০ মোরাকাবা: আকাশ থেকে ইলহামের নূরী বৃষ্টি ক্বলবে বর্ষিত হওয়ার দর্শন
উপসংহার: রবের সাথে ক্বলবের এই গোপন কথোপকথন আজীবন জারি রাখার দোয়া
অধ্যায় ৩: আলমে মালাকুত: ফেরেশতাদের কাছ থেকে গায়েবী বিদ্যা লাভ
ভূমিকা: ফেরেশতাদের রূহানী ফয়েজ ও আসমানী শিক্ষার সংযোগ স্থাপন
৩.১ আলমে মালাকুতের ফেরেশতাগণের কাছ থেকে রূহানী জ্ঞান লাভের হাকিকত
৩.২ পবিত্র কোরআনের নির্দিষ্ট আয়াতের রিয়াজতের মাধ্যমে নূরী স্পন্দন তৈরি
৩.৩ রোজ রাত ১২টার পর পবিত্র ও নির্জন কক্ষে নির্দিষ্ট সংখ্যায় আয়াত তিলাওয়াত
৩.৪ আমলের আগে ও পিছে ৩ বার তাওবাহ ও ১১ বার দরুদ শরীফের পাবন্দি
৩.৫ মোরাকাবার গভীরে ফেরেশতাগণের নূরী উপস্থিতির ইশারা ও সুবাস অনুভব
৩.৬ ফেরেশতাদের সাথে রূহানী সংযোগের মাধ্যমে জীবনে গায়েবী প্রজ্ঞা অর্জন
৩.৭ শরীয়তের সীমানায় থেকে এই অদৃশ্য জগতের ইলমকে ধারণ করার ক্ষমতা
৩.৮ ফেরেশতাদের কাছ থেকে প্রাপ্ত বিদ্যাকে কেবল মানবকল্যাণে ব্যবহারের কসম
৩.৯ রূহানী ইলম লাভের পর নফসের তাকাব্বুর (অহংকার) থেকে কঠোরভাবে বেঁচে থাকা
৩.১০ মোরাকাবা: নূরী ফেরেশতাদের আসমানী মজলিসে বসে রবের জিকিরে মশগুল হওয়া
উপসংহার: গায়েবী জ্ঞান কেবল রবের ইবাদতকে আরও সুন্দর করার মাধ্যম
অধ্যায় ৪: নূরী মাখলুকাতের রূহানী দর্শন ও মোলাকাত
ভূমিকা: মাত্র ৩ দিনের সাধনায় আলমে মালাকুতের ফেরেশতাদের সাথে রূহানী মোলাকাত
৪.১ ফেরেশতাদের নূরী তাজাল্লীকে মানব আকৃতিতে রূহানী দর্শনের আসমানী বিদ্যা
৪.২ এই মহান সংযোগ স্থাপনের জন্য জালালী ও জামালী পরহেজের কঠোর বিধান
৪.৩ নির্জন কক্ষে সুগন্ধি ও নূরের উপস্থিতিতে ক্বলবকে দুনিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন করা
৪.৪ নির্দিষ্ট ইসমে আযম ও কোরআনী আয়াতের ৩ দিনের নিরবচ্ছিন্ন সাধনা
৪.৫ ক্বলব থেকে সকল ভয়ভীতি দূর করে রবের অসীম ক্ষমতার ওপর তাওয়াক্কুল
৪.৬ সাধনার গভীরে ফেরেশতার নূরানী অবয়ব ও সালামের জবাব প্রাপ্তি
৪.৭ ফেরেশতার সাথে রূহানী কথোপকথন এবং আসমানী হিকমত (প্রজ্ঞা) লাভ
৪.৮ এই দর্শনের পর নিজের ইবাদত ও আখলাকে (চরিত্রে) নূরানী পরিবর্তন আনয়ন
৪.৯ এই গায়েবী অভিজ্ঞতাকে মানুষের কাছে প্রকাশ না করে আমানতদারি রক্ষা
৪.১০ মোরাকাবা: ফেরেশতার নূরী উপস্থিতিতে নিজের ক্বলবকে আলোকিত দর্শন
উপসংহার: ফেরেশতাদের মোলাকাত লাভের পর ইবাদতে চরম বিনয় ও খুশু-খুজু অর্জন
অধ্যায় ৫: গায়েবী পর্দা ও নূরী আবরণ (অদৃশ্য হওয়ার বাতেনী বিদ্যা)
ভূমিকা: সৃষ্টির দৃষ্টি থেকে নিজেকে গায়েবী পর্দায় আবৃত করার কোরআনী হিকমত
৫.১ মানব চক্ষু থেকে সাময়িকভাবে অদৃশ্য বা দৃষ্টির আড়ালে যাওয়ার রূহানী হাকিকত
৫.২ জালিম ও ফিতনাকারীদের হাত থেকে বাঁচতে গায়েবী পর্দার কোরআনী প্রয়োগ
৫.৩ সূরা ইয়াসীন ও নির্দিষ্ট আয়াতের (ওয়া জাআলনা মিম বাইনি আয়দিহিম…) তাজাল্লী
৫.৪ নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে আয়াত পাঠ করে নিজের চারদিকে নূরী সীমানা তৈরি
৫.৫ ক্বলবে দৃঢ় বিশ্বাস (একীন) স্থাপন যে রবের আদেশে দৃষ্টির ওপর পর্দা পড়ে গেছে
৫.৬ এই বিদ্যার সাহায্যে বিপদে পড়লে মজলুমকে রক্ষা করার গায়েবী কৌশল
৫.৭ দুনিয়াবী স্বার্থ বা হারাম কাজে এই বিদ্যা প্রয়োগের ওপর আসমানী নিষেধাজ্ঞা
৫.৮ গায়েবী আবরণ তৈরি করার সময় নিজের শ্বাস-প্রশ্বাস ও ভয়কে নিয়ন্ত্রণ করা
৫.৯ রূহানী পর্দা সরে গেলে পুনরায় স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসার আমল
৫.১০ মোরাকাবা: নিজেকে একটি অস্বচ্ছ আসমানী নূরের আবরণে আচ্ছাদিত দর্শন
উপসংহার: রবের হেফাজতের চেয়ে বড় কোনো পর্দা বা ঢাল নেই—এই বিশ্বাস স্থাপন
অধ্যায় ৬: শিফায়ে কামেলা ও গুপ্ত ইসমে আযমের তাজাল্লী
ভূমিকা: রবের শাফী নামের ফয়েজ এবং যেকোনো কঠিন রোগ থেকে গায়েবী আরোগ্য
৬.১ সর্বপ্রকার শারীরিক ও মানসিক রোগ থেকে পরিত্রাণের শক্তিশালী গুপ্ত ইসমে আযম
৬.২ অবচেতন মন (বাতেনী ক্বলব) ও নূরী কালিমার সমন্বয়ে সেলুলার হিলিং
৬.৩ দীর্ঘমেয়াদী ও দুরারোগ্য ব্যাধি নিরাময়ে নির্দিষ্ট ইসমে আযমের জিকিরে খফী
৬.৪ ব্যথা বা যন্ত্রণার স্থানে হাত রেখে রূহানী স্পন্দন ফুঁকে দেওয়ার তরিকা
৬.৫ পানির গ্লাসে শিফার কালিমা ফুঁকে তা পানের মাধ্যমে রূহানী চিকিৎসা
৬.৬ শারীরিক দুর্বলতা দূর করে রূহানী প্রাণশক্তি (Energy) বৃদ্ধির আসমানী সূত্র
৬.৭ রোগীর আত্মবিশ্বাস ও রবের রহমতের ওপর তাওয়াক্কুল বৃদ্ধির আমল
৬.৮ অন্য রোগীকে সুস্থ করার জন্য দূরবর্তী (রিমোট) রূহানী তাওয়াজ্জুহ প্রেরণ
৬.৯ শিফা লাভের পর রবের দরবারে শুকরিয়ার সিজদা ও সদকা আদায়
৬.১০ মোরাকাবা: শরীরের প্রতিটি কোষে আসমানী শিফার নূর প্রবেশের দর্শন
উপসংহার: সুস্থতা ও আরোগ্য কেবল আল্লাহর হাতে—এই ঈমানী দৃঢ়তা পোষণ
অধ্যায় ৭: রূহানী বর্ম ও আসমানী পোশাক অর্জন (তিলিসমাতি ঢাল)
ভূমিকা: আসমানী সুরক্ষাবলয় ও রূহানী বর্ম পরিধানের বাতেনী হাকিকত
৭.১ যাবতীয় গায়েবী ও জাগতিক আঘাত থেকে নিজেকে রক্ষায় রূহানী বর্মের পরিচয়
৭.২ এই আসমানী পোশাক বা ঢাল প্রাপ্তির জন্য বিশেষ কোরআনী সাধনা
৭.৩ নির্দিষ্ট ইসমে আযম জপের মাধ্যমে ক্বলবের চারপাশে নূরী স্তরের আবরণ তৈরি
৭.৪ রূহানী বর্মের কারণে সিহর, জাদু ও জিনের আছর ক্বলবে প্রবেশ করতে না পারা
৭.৫ বদনজর ও হিংসার বিষাক্ত তীর খণ্ডন করে এই বর্মের রিফ্লেকশন ক্ষমতা
৭.৬ ভ্রমণের সময় দুর্ঘটনা থেকে হেফাজতে থাকতে রূহানী ঢালের তাৎক্ষণিক প্রয়োগ
৭.৭ ঘুমের মাঝে দুঃস্বপ্ন ও শয়তানের চাপ থেকে বাঁচতে আসমানী বর্ম পরিধান
৭.৮ আমলের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এই রূহানী পোশাককে চিরস্থায়ী রূপ দেওয়া
৭.৯ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পাবন্দির মাধ্যমে এই বর্মের শক্তি প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি করা
৭.১০ মোরাকাবা: নিজেকে একটি অভেদ্য আসমানী নূরের বর্ম পরিহিত অবস্থায় দর্শন
উপসংহার: রূহানী বর্ম পরিধানের পর রবের হেফাজতের ওপর পূর্ণ তাওয়াক্কুল
অধ্যায় ৮: ক্বলবের বাতেনী চক্ষু ও গায়েবী ইশারা অনুধাবন
ভূমিকা: অন্তরের দৃষ্টি উন্মোচন করে গায়েবী রহস্য ও ইশারা দর্শন
৮.১ ক্বলবের বাতেনী চোখ (কাশফ) উন্মোচন করে গায়েবী জগত দেখার তরিকা
৮.২ নির্দিষ্ট ইসমে আযমের মাধ্যমে রবের সাথে সরাসরি রূহানী সংযোগ
৮.৩ ইস্তিখারার ন্যায় জিকিরের মাধ্যমে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ইলহাম লাভ
৮.৪ সত্য স্বপ্নে রূহানী নির্দেশনা প্রাপ্তি এবং তা বাস্তব জীবনে প্রয়োগ
৮.৫ ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় জাগ্রত করে ভবিষ্যৎ বিপদ সম্পর্কে আগাম সতর্কতা লাভ
৮.৬ অন্যের ক্বলবের লুকানো উদ্দেশ্য ও সত্য-মিথ্যা যাচাই করার বাতেনী ক্ষমতা
৮.৭ গায়েবী রহস্য জানার পর ক্বলবে রূহানী প্রজ্ঞার (হিকমত) উন্মেষ
৮.৮ কাশফ ও ইলহাম লাভের পর এই জ্ঞানকে কঠোরভাবে গোপন রাখার শরয়ী বিধান
৮.৯ এই বাতেনী দৃষ্টিকে মানুষের দোষ খোঁজার কাজে ব্যবহার না করার কসম
৮.১০ মোরাকাবা: ক্বলবের আয়নায় আলমে গায়েবের গোপন রহস্যের প্রতিচ্ছবি দর্শন
উপসংহার: বাতেনী জ্ঞান লাভের পর নফসের তাকাব্বুর (অহংকার) সম্পূর্ণ দমন করা
অধ্যায় ৯: রূহানী তরঙ্গের মাধ্যমে দূরবর্তী ক্বলবে তাওয়াজ্জুহ প্রেরণ
ভূমিকা: সময় ও স্থানের উর্ধ্বে উঠে আলমে মেসালে রূহানী সংযোগ স্থাপন
৯.১ চিন্তার নূরী তরঙ্গ তৈরি ও দূরবর্তী ক্বলবে তা নিক্ষেপ করার পদ্ধতি
৯.২ বিনা মাধ্যমে দূরের মানুষের সাথে যোগাযোগের রূহানী আমল
৯.৩ অন্যের স্বপ্নে নিজের রূহানী বার্তা বা ইশারা প্রেরণের কৌশল
৯.৪ হাজিরাত বিল মিসাল বা উপস্থিত না থেকেও উপস্থিতি জানানোর বাতেনী বিদ্যা
৯.৫ কথা বলার সময় শ্রোতার অবচেতন মন নিয়ন্ত্রণের রূহানী টেকনিক
৯.৬ বাতেনী দৃষ্টি বা নজরে নূরীর মাধ্যমে মানুষের ওপর ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি
৯.৭ সাইলেন্ট কমান্ড: নীরব ইচ্ছাশক্তির মাধ্যমে গায়েবী নির্দেশ প্রদান
৯.৮ দূরবর্তী স্থানে অবস্থানরত রোগীর জন্য রূহানী শিফা ও তাওয়াজ্জুহ প্রেরণ
৯.৯ ঋণগ্রস্ত বা বিপদে পড়া ব্যক্তিকে দূর থেকে গায়েবী সাহায্য পাঠানোর উপায়
৯.১০ মোরাকাবা: নূরী তরঙ্গের মাধ্যমে দুই রূহের মাঝে আসমানী বার্তা বিনিময়
উপসংহার: অন্যের স্বাধীন ইচ্ছায় হস্তক্ষেপ করার নৈতিক ও শরয়ী সীমা বজায় রাখা
অধ্যায় ১০: গায়েবী রিযিক ও আসমানী বরকতের চাবিকাঠি
ভূমিকা: অভাব অনটন দূর করে হালাল প্রাচুর্যের দরজা উন্মোচন
১০.১ গায়েবী রিযিক ও হালাল সম্পদ বৃদ্ধির শক্তিশালী কোরআনী আমল
১০.২ আটকে থাকা টাকা ও পাওনা উদ্ধারে নূরী কালিমার বাতেনী প্রয়োগ
১০.৩ ঋণ থেকে দ্রুত ও সম্মানজনক মুক্তির জন্য নির্দিষ্ট গাণিতিক জিকির
১০.৪ নতুন হালাল উপার্জনের পথ ও ব্যবসায় আসমানী বরকত আকর্ষণ
১০.৫ অভাবের ভয় দূর করে রিযিকদাতার ওপর পূর্ণ তাওয়াক্কুল স্থাপন
১০.৬ হারামের মোহ ত্যাগ করে হালাল রিযিকের প্রতি ক্বলবের তৃপ্তি আনয়ন
১০.৭ প্রাচুর্য লাভের পর নফসের কৃপণতা দূর করে সদকা ও দানের অভ্যাস
১০.৮ রিযিক বণ্টনের দায়িত্বপ্রাপ্ত ফেরেশতাগণের ফয়েজ আকর্ষণ
১০.৯ অপ্রত্যাশিত গায়েবী রিযিক প্রাপ্তির পর রবের দরবারে শুকরিয়া আদায়
১০.১০ মোরাকাবা: আকাশ থেকে রিযিকের নূরী বৃষ্টি বর্ষণের বাতেনী দর্শন
উপসংহার: রিযিকের মালিক কেবল আল্লাহ—এই একীনে কামেল অন্তরে ধারণ
অধ্যায় ১১: পরিবার ও গৃহের সুরক্ষায় ৭০ হাজার ফেরেশতার গায়েবী পাহারাদারি
ভূমিকা: গৃহকে নিরাপদ রাখতে আলমে মালাকুত থেকে ৭০ হাজার ফেরেশতা নিযুক্তকরণ
১১.১ আসমানী সুরক্ষাবলয় নির্মাণের জন্য পবিত্র রূহানী মাটি বা ধূলি সংগ্রহের নিয়ম
১১.২ নির্দিষ্ট কোরআনী কালাম জপ করে সংগৃহীত মাটিতে নূরী স্পন্দন সৃষ্টি
১১.৩ পবিত্র মাটিতে ফুঁক দিয়ে রূহানী শক্তি ও ফেরেশতাদের ফয়েজ আকর্ষণ
১১.৪ এই মাটি দিয়ে ঘরের চারদিকে রূহানী সীমানা বা বেষ্টনী (হিসার) অঙ্কন
১১.৫ সীমানা নির্ধারণের সময় ক্বলবে আল্লাহর অসীম সুরক্ষার প্রতি একীন রাখা
১১.৬ ৭০ হাজার নূরী ফেরেশতার আসমানী পাহারায় গৃহের সুরক্ষিত হওয়ার হাকিকত
১১.৭ শয়তানী জিন, সিহর ও বদনজর থেকে গৃহের সকল সদস্যের চিরস্থায়ী হেফাজত
১১.৮ আমল চলাকালীন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ও সুন্নতের পাবন্দির মাধ্যমে বরকত বৃদ্ধি
১১.৯ পশু-পাখিকে আহার দেওয়ার মাধ্যমে সৃষ্টির প্রতি রহমত প্রদর্শন
১১.১০ মোরাকাবা: নিজের গৃহকে ৭০ হাজার নূরী ফেরেশতার ডানায় আচ্ছাদিত দর্শন
উপসংহার: ফেরেশতাদের পাহারাদারির পরও রবের হেফাজতের ওপর চূড়ান্ত নির্ভরতা
অধ্যায় ১২: সিফলী আছর ও জিনের ভয়াবহ আক্রমণ থেকে নিমিষে মুক্তি
ভূমিকা: জাদুর অন্ধকার বিনাশ করে রূহানী নূরের শিফা আনয়নের কোরআনী চিকিৎসা
১২.১ পৃথিবীর যত কঠিন সিফলী আছর বা জিনের সমস্যা হোক না কেন তার নিমিষে সমাধান
১২.২ ৩ থেকে ২১ দিনের রূহানী সাধনা এবং নির্দিষ্ট সময়ের কঠোর পাবন্দি
১২.৩ হালাল রিযিক গ্রহণ, ইবাদতে ইস্তিকামাত ও পশু-পাখিকে আহার প্রদান
১২.৪ আমলের পূর্বে ৩ বার তাওবাহ ও ১১ বার দরুদ শরীফ পাঠের নিয়ম
১২.৫ সুগন্ধি ও নূরের মাধ্যমে ইবাদতের পরিবেশ তৈরি এবং জায়নামাজে উপবেশন
১২.৬ পবিত্র রুটি বা সিদ্ধ ডিমের ওপর নির্দিষ্ট রূহানী আমল সম্পন্ন করা
১২.৭ “বিসমিল্লাহিল কাফী, বিসমিল্লাহিল মাফী…” রূহানী কালামের গায়েবী তাজাল্লী
১২.৮ কালাম জপ করে ৩ বারে ৩টি রূহানী ফুঁক দিয়ে শিফার নূর সঞ্চারণ
১২.৯ এই ফুঁক দেওয়া আহার রোগীকে খাইয়ে তার ভেতরের জাদুর অন্ধকার ধ্বংস করা
১২.১০ মোরাকাবা: আসমানী নূরের মাধ্যমে রোগীর শরীর থেকে সকল সিফলী আছর দূর হওয়া
উপসংহার: মেগাক্লাসের সমাপ্তি—গায়েবী ফয়েজ ও শিফা নিয়ে রবের একনিষ্ঠ গোলাম হওয়া