সুপার মেগাক্লাস – অগ্নিপ্রভা
কুরআন, সুন্নাহ ও তাসাওউফের নিগূঢ় দর্শনে সাজানো এই মেগাক্লাসটি তয়্যুল আরদ (রূহানী সফর), ফিতরাত পরিবর্তন এবং আলমে গায়বের দরজা উন্মোচনের এক বিস্ময়কর আধ্যাত্মিক গাইডলাইন। নির্দিষ্ট আসমানী কালাম ও হুরুফে মুকাত্তায়াতের মোরাকাবার মাধ্যমে জালিম ও হিংস্র প্রাণীর আক্রমণ প্রতিহত করে গায়বী পাহারাদার নিযুক্তকরণ, তাকদীরের ফয়েজ লাভ এবং রূহানী কুতুব হওয়ার গুপ্ত তরিকা এখানে শেখানো হয়েছে। এটি কেবল কোনো বিদ্যা নয়, বরং দৃশ্য ও অদৃশ্য জগতের সকল ফিতনা জয় করে রবের নৈকট্য ও ফানাফিল্লাহর মাকামে পৌঁছানোর এক আসমানী সফর।
-
- কোর্সের লক্ষ্য: আসমানী কালাম ও মোরাকাবার মাধ্যমে তয়্যুল আরদ ও গায়বী ফয়েজ অর্জন করে সকল ফিতনা থেকে আত্মরক্ষা এবং মহান রবের প্রতি পূর্ণ সমর্পণ লাভ করা।
3,555.00৳
অধ্যায় ১: হাজিরাতে রহমানী ও গায়েবী সুরক্ষাবলয়
১.১ হাজিরাতে রহমানীর হাকিকত এবং আল্লাহর নামে শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা।
১.২ আল্লাহর অসীম ক্ষমতা ও চিরঞ্জীব সত্তার ওপর ক্বলবের পূর্ণ তাওয়াক্কুল স্থাপন।
১.৩ সূরা বাকারার ২৫৫ নং আয়াতের (আয়াতুল কুরসী) গায়েবী তাজাল্লী ও আসমানী পাহারাদারি।
১.৪ সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াতের (২২-২৪) মাধ্যমে নূরী সুরক্ষাবলয় তৈরি।
১.৫ সূরা মারিয়ামের (৩৫-৩৬) আয়াতে রবের পবিত্রতা ও একত্ববাদের ঘোষণা।
১.৬ সূরা ইয়াসিনের ৮২ নং আয়াতের (কুন ফায়াকুন) আসমানী ক্ষমতা অনুধাবন।
১.৭ সূরা বুরুজের ১৬ নং আয়াতের রূহানী ফয়েজ ক্বলবে ধারণ করা।
১.৮ আকাশ ও জমিনে আল্লাহর রাজত্ব এবং তাঁর অসীম করুণার বাতেনী উপলব্ধি।
১.৯ আল্লাহর ইচ্ছায় সকল মুসিবত থেকে হেফাজত থাকার রূহানী একীন।
১.১০ আমলের পূর্বে ৩ বার তাওবাহ ও ১১ বার দরুদে ইবরাহীম পাঠের নিয়ম।
১.১১ সুগন্ধি ও মোমবাতি প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে ইবাদতের রূহানী পরিবেশ তৈরি।
১.১২ মোরাকাবা: নিজেকে একটি অভেদ্য আসমানী নূরের দুর্গের ভেতর সুরক্ষিত দর্শন।
অধ্যায় ২: রূহানী ফিতরাত ও মাকাম পরিবর্তন
২.১ যেকোনো সাধারণ ফিতরাতকে মাত্র ১৫ মিনিটের আমলে রূহানী সাধনার উপযোগী (তুলারাশি) ফিতরাতে রূপান্তর।
২.২ আমলের জন্য চন্দ্রমাসের প্রথম তারিখ এবং এশার পর ঘুমের পূর্বের সময় নির্ধারণ।
২.৩ রোজ নিজের খাবার থেকে পশু-পাখি বা কীটপতঙ্গকে আহার করানোর মাধ্যমে সৃষ্টির খেদমত।
২.৪ জায়নামাজে বসে ৩২৩ বার নির্দিষ্ট অলৌকিক কালাম জপের শরয়ী নিয়ম।
২.৫ “রব্বী লা তাজারনী ফারদাও…” কালামের তাজাল্লীতে ক্বলবকে পবিত্র করা।
২.৬ লবণের ওপর ৩টি ফুঁক দিয়ে তাতে রূহানী স্পন্দন তৈরি করার বাতেনী তরিকা।
২.৭ রূহানী লবণ মিশ্রিত পানি পানের মাধ্যমে দেহের ভেতরের নেতিবাচকতা দূরীকরণ।
২.৮ প্রতিদিন গোসলের পানিতে এই লবণ মিশিয়ে বাহ্যিক শরীরকে পবিত্র করার আমল।
২.৯ রোজ নির্দিষ্ট স্থানে বসে ৩১৩ বার পবিত্র কালাম জপের ধারাবাহিকতা রক্ষা।
২.১০ ৪০ দিনের মাথায় আল্লাহর মেহেরবানিতে ক্বলবের ফিতরাত পরিবর্তনের ইশারা লাভ।
২.১১ প্রাপ্ত এই গায়েবী শক্তিকে মানুষের কাছে প্রকাশ না করে চিরকাল গুপ্ত রাখা।
২.১২ মোরাকাবা: রবের নূরে নিজের রূহানী ফিতরাতের আলোকিত রূপান্তর দর্শন।
অধ্যায় ৩: ইলমু আজি সাপু আংগিন: তয়্যুল আরদ বা রূহানী সফর
৩.১ বাতাসের বেগে গন্তব্যে পৌঁছানোর অলৌকিক শক্তি (ইলমু আজি সাপু আংগিন) লাভের সাধনা।
৩.২ প্রথম ৭ দিনের প্রাইমারি সাধনায় চন্দ্রমাসের প্রথম বৃহস্পতিবার থেকে রোজা রাখা।
৩.৩ ৭ দিন সম্পূর্ণ নিরামিষ ভোজী হয়ে নফসকে দুর্বল ও রূহকে শক্তিশালী করা।
৩.৪ ৫ ওয়াক্ত নামাজের পর কারো সাথে কথা না বলে ৭ বার অলৌকিক কালাম তিলাওয়াত।
৩.৫ সূরা সাবা-এর ১০ নং আয়াতের রূহানী তাজাল্লীতে তয়্যুল আরদ-এর শক্তি লাভ।
৩.৬ ৭ দিন পর প্রতিদিন ফজর ও মাগরিবের পর ৩ বার এই পবিত্র কালাম জপের নিয়ম।
৩.৭ চোখ বন্ধ করে ৩ বার আয়াত পড়ে রূহানী সফরের ইচ্ছা করার বাতেনী কৌশল।
৩.৮ এই শক্তির মাধ্যমে দ্রুততম সময়ে গন্তব্যে পৌঁছানোর আসমানী সাহায্য প্রাপ্তি।
৩.৯ আমল চলাকালীন স্ত্রী সহবাস থেকে বিরত থেকে শারীরিক পবিত্রতা রক্ষা।
৩.১০ মেয়েদের ক্ষেত্রে পিরিয়ড চলাকালীন আমল চলমান রাখার শরয়ী বিধান।
৩.১১ অর্জিত এই তেলেসমাতি শক্তি প্রকাশ করলে তা চিরতরে হারিয়ে যাওয়ার সতর্কতা।
৩.১২ মোরাকাবা: রবের আদেশে বাতাসের ডানায় ভর করে নিজের রূহের আসমানী সফর দর্শন।
অধ্যায় ৪: জালিমের জবান বন্ধকরণ ও গায়েবী প্রভাব বিস্তার
৪.১ শত্রু বা ফিতনাকারীর মুখ সাময়িকভাবে বন্ধ করার রূহানী আমল।
৪.২ নির্দিষ্ট কালামের তাজাল্লীতে জালিমকে পাথরের মতো নিঃশব্দ করে দেওয়ার হিকমত।
৪.৩ বিরোধীদের কথা বলতে সমস্যা হওয়া এবং রূহানীভাবে অপমানিত বোধ করার বাতেনী প্রভাব।
৪.৪ জালিমের মুখোমুখি হওয়ার আগে কালামটি মাত্র ৩ বার পাঠ করার শরয়ী নিয়ম।
৪.৫ আল্লাহর সন্তুষ্টিতে বিরোধীদের ক্বলবে ভয় সঞ্চার করে তাদের নিবৃত্ত করা।
৪.৬ “নরুদ্দু বিকাল আ’দা-আ মিন কিল্লি…” কালামের জালালী স্পন্দন অনুধাবন।
৪.৭ জালিমের প্রতি প্রতিশোধপরায়ণ না হয়ে কেবল নিজের সুরক্ষায় এই কালামের প্রয়োগ।
৪.৮ মানুষের ওপর রূহানী প্রভাব বিস্তারের সময় নিজের নিয়তের বিশুদ্ধতা (ইখলাস) রক্ষা।
৪.৯ শয়তানের ওয়াসওয়াসা মুক্ত হয়ে কেবল রবের ইনসাফের ওপর ভরসা স্থাপন।
৪.১০ কালাম পাঠের পর রবের দিকে তাকিয়ে ফলাফলের জন্য সবর করা।
৪.১১ এই শক্তিকে কখনো দুর্বল বা নির্দোষ মানুষের ওপর প্রয়োগ না করার কসম।
৪.১২ মোরাকাবা: জালিমের দম্ভ রবের জালালী নূরের কাছে চূর্ণ হওয়ার দর্শন।
অধ্যায় ৫: হিংস্র প্রাণী ও প্রাকৃতিক বিপদ থেকে আসমানী হেফাজত
৫.১ সাপ, বিচ্ছু, বাঘ, সিংহসহ সকল হিংস্র জানোয়ারের আক্রমণ থেকে গায়েবী সুরক্ষাবলয়।
৫.২ প্রাণঘাতী প্রাণীর মুখোমুখি হলে নির্দিষ্ট কোরআনী কালাম অবিরত পাঠের নিয়ম।
৫.৩ আল্লাহর সন্তুষ্টিতে জীবের আক্রমণ থেকে অলৌকিকভাবে রক্ষা পাওয়ার একীন।
৫.৪ হযরত নূহ (আ:)-এর উসিলায় “সালামুন আলা নুহিন ফিল আলামীন” পাঠের তাজাল্লী।
৫.৫ হযরত ইব্রাহীম, ইলইয়াসীন, মুসা ও হারুন (আ:)-এর ওপর সালাম প্রেরণের গায়েবী শক্তি।
৫.৬ “সালামুন কওলাম মীর রব্বির রহিম” পাঠের মাধ্যমে রবের রহমতের চাদরে আবৃত হওয়া।
৫.৭ হিংস্র প্রাণীর চোখে চোখ রেখে ভয়হীনভাবে রবের কালাম তিলাওয়াতের হিম্মত।
৫.৮ সৃষ্টির সকল জীব রবের আদেশের গোলাম—এই তাওহীদী দর্শন অন্তরে গেঁথে নেওয়া।
৫.৯ বিপদের সময় দুনিয়াবী সাহায্যের আশা ছেড়ে সম্পূর্ণ তাওয়াক্কুল আল্লাহর ওপর করা।
৫.১০ জঙ্গলে বা জনশূন্য স্থানে ভ্রমণের সময় আগে থেকেই এই কালাম জপে নিজেকে নিরাপদ করা।
৫.১১ এই আমলের মাধ্যমে পশুপাখির অন্তরে নিজের প্রতি রূহানী সখ্যতা তৈরি।
৫.১২ মোরাকাবা: হিংস্র প্রাণীর ক্বলব রবের আদেশে শান্ত ও বশীভূত হওয়ার দর্শন।
অধ্যায় ৬: তাকদীরের ফয়েজ ও আসমানী রহমত আকর্ষণ
৬.১ তাকদীরের গায়েবী ইশারা বা ভাগ্য টেনে আনার রূহানী সাধনা।
৬.২ ৩ দিনের এই বিশেষ সাধনায় ৩ দিনই রোজা রাখার কঠোর শরয়ী বিধান।
৬.৩ চন্দ্রমাসের প্রথম তারিখ থেকে এশার পর ঘুমের পূর্বে এই আমলের শুরু।
৬.৪ সাধনা চলাকালীন সব রকম আমিষ ও স্ত্রী সহবাস বর্জন করার হিকমত।
৬.৫ জায়নামাজে বসে ৫০০০ বার নির্দিষ্ট কোরআনী কালাম জপের বাতেনী শক্তি।
৬.৬ “ওলাও আন্না ফী মিরয়াতিম মিল লিক্বইক্ক” কালামের স্পন্দনে গায়েবী রহমত আকর্ষণ।
৬.৭ সংখ্যার ব্যাপারে সতর্ক থাকা; ৫০০০ বারের চেয়ে একবার বেশি বা কম না করা।
৬.৮ মাত্র ৩ দিনেই তাকদীরের বদ্ধ দরজা উন্মোচিত হওয়ার গায়েবী সুসংবাদ লাভ।
৬.৯ ভাগ্য আকর্ষণের পর রবের দরবারে শুকরিয়ার সিজদা ও সদকা প্রদান।
৬.১০ অর্জিত এই ফয়েজকে নফসের অহংকার থেকে মুক্ত রেখে রবের দান হিসেবে গ্রহণ।
৬.১১ দুনিয়াবী অভাব-অনটন দূর করে ক্বলবে আসমানী প্রশান্তি আনয়ন।
৬.১২ মোরাকাবা: আকাশ থেকে তাকদীরের নূরী ফয়েজ ক্বলবে অবতীর্ণ হওয়ার দর্শন।
অধ্যায় ৭: আলমে মালাকুত, আরওয়াহ ও জিন জগতের দরজা উন্মোচন
৭.১ ফেরেশতা, রূহ এবং জিন জগতের দরজা নিজের জন্য উন্মুক্ত করার রূহানী সাধনা।
৭.২ ৪১ দিনের এই সাধনাকে আজীবন চলমান রাখার বাতেনী হিকমত।
৭.৩ জায়নামাজে বসে ১৩৩৩ বার নির্দিষ্ট আসমানী কালাম জপের শরয়ী নিয়ম।
৭.৪ ফেরেশতাদের জগত (রাহে তাইয়্যেব) উন্মুক্ত করতে “আফতাহু আবওয়াবা আলামিল মালাইকাতি…” জপ।
৭.৫ রূহের জগত (আলমে আরওয়াহ) উন্মুক্ত করতে “আফতাহু আবওয়াবা আলামিল আরওয়াহি…” পাঠ।
৭.৬ জিন জগত (আলমে জিন্নাত) উন্মুক্ত করতে “আফতাহু আবওয়াবা আলামিল জিন্নাত…” এর তাজাল্লী।
৭.৭ আল্লাহর ইসমে আযমের (ইসমে ইলাহী) শক্তিতে এই গায়েবী জগতগুলোর পর্দা উন্মোচন।
৭.৮ মাত্র ১ সপ্তাহে এই সাধনার গায়েবী ফলাফল ও ইশারা দেখা শুরু হওয়ার সুসংবাদ।
৭.৯ আমল চলাকালীন আমিষ বা স্ত্রী সহবাস বর্জনের কোনো বাধ্যবাধকতা না থাকার সুবিধা।
৭.১০ গায়েবী জগতগুলোর দরজা খোলার পর শরীয়তের সীমানায় থেকে জ্ঞান অর্জন।
৭.১১ এই তিন জগতের মাখলুকাতের সাথে যোগাযোগের সময় তাওহীদী বিশ্বাস অটুট রাখা।
৭.১২ মোরাকাবা: তিন জগতের নূরী স্পন্দনের সাথে নিজের রূহের গভীর সংযোগ দর্শন।
অধ্যায় ৮: অভিশপ্ত স্থান পবিত্রকরণ ও সাকিনাহ স্থাপন
৮.১ যেকোনো ভৌতিক বা নেতিবাচক স্থানকে মানব বসবাসের উপযোগী করার কোরআনী আমল।
৮.২ কোরআনের হুরুফে মুকাত্তায়াতগুলো মেশক জাফরান দিয়ে ৪ টুকরো কাগজে লেখার নিয়ম।
৮.৩ হরফের নিচে মুয়াক্কিলদের প্রতি নেতিবাচক এনার্জি দূর করার রূহানী আদেশ লিখন।
৮.৪ গুরু বা উস্তাদের নামের দোহাই বাক্য লিখে আমলের রূহানী শক্তি বৃদ্ধি।
৮.৫ “দোহাই আল্লাহ দোহাই মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ…” বাক্যটি ১১ বার জপের হিকমত।
৮.৬ তৈরি করা ৪টি পবিত্র কাগজ ঘরের ৪ কোণে স্থাপন করে নূরী সীমানা তৈরি।
৮.৭ হুরুফে মুকাত্তায়াতের (আলিফ-লাম-মীম ইত্যাদি) অসীম তাজাল্লীতে সিফলী আছর বিনাশ।
৮.৮ এই আমলের ফলে যেকোনো অভিশপ্ত স্থান নিমিষেই আসমানী সাকিনাহ লাভ করে।
৮.৯ পবিত্র স্থানে নিয়মিত কোরআন তিলাওয়াত ও নামাজের মাধ্যমে রহমত স্থায়ী করা।
৮.১০ ফিতনাকারীদের বদনজর থেকে গৃহ ও পরিবারকে সুরক্ষিত রাখার এই তরিকা।
৮.১১ গায়েবী পাহারাদারি নিশ্চিত হওয়ার পর রবের হেফাজতের ওপর পূর্ণ তাওয়াক্কুল।
৮.১২ মোরাকাবা: হুরুফে মুকাত্তায়াতের নূরে ঘরের সকল অন্ধকার পুড়ে ছাই হওয়ার দর্শন।
অধ্যায় ৯: নূরী প্রতিচ্ছবি: গায়েবী পাহারাদার নিযুক্তকরণ
৯.১ ঘর বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পাহারা দিতে অবিকল নিজের মতো নূরী প্রতিচ্ছবি (মায়াবী মানব) সৃষ্টি।
৯.২ হুরুফে মুকাত্তায়াত মেশক জাফরান দিয়ে ৪ টুকরো কাগজে লিখে মুয়াক্কিলদের নির্দেশ প্রদান।
৯.৩ চোর বা ডাকাতদের প্রতিহত করতে নিজের রূহানী প্রতিচ্ছবি তৈরির আদেশ লিখন।
৯.৪ উস্তাদের দোহাই বাক্য যুক্ত করে এই ৪টি কাগজ ঘরের ৪ কোণে স্থাপন করা।
৯.৫ চোর আক্রমণ করতে গেলে রূহানী পাহারাদারকে দেখে ভয়ে পালিয়ে যাওয়ার গায়েবী প্রভাব।
৯.৬ “দোহাই আল্লাহ… হে অমুক ফেরেশতা বা আর্ক এঞ্জেল…” দোহাইটি ১১ বার জপের নিয়ম।
৯.৭ হুরুফে মুকাত্তায়াতের (ত্বা-সীন-মীম, ইয়া-সীন ইত্যাদি) অসীম সুরক্ষাবলয় নির্মাণ।
৯.৮ এই আমলের মাধ্যমে নিজের ধনসম্পদকে গায়েবী মাখলুকাতের জিম্মায় সুরক্ষিত করা।
৯.৯ চোর বা ডাকাতদের প্রতি প্রতিশোধপরায়ণ না হয়ে তাদের হেদায়েত কামনা করা।
৯.১০ এই গুপ্ত বিদ্যাকে অহংকারের বিষয় না বানিয়ে রবের দান হিসেবে গ্রহণ।
৯.১১ আমলটির কার্যকারিতা ধরে রাখতে হালাল রিযিক ও পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পাবন্দি।
৯.১২ মোরাকাবা: নিজের নূরী প্রতিচ্ছবিকে ঘরের পাহারায় রত থাকার বাতেনী দর্শন।
অধ্যায় ১০: আলমে গায়েবের রূহানী কুতুব বা রাজত্ব লাভ
১০.১ মাত্র ১৫ মিনিটের আমলে রূহানী জগতের বাদশাহ (কুতুব) হওয়ার আসমানী সাধনা।
১০.২ চন্দ্রমাসের প্রথম তারিখ থেকে শুরু করে আজীবন এই আমল চলমান রাখার হিকমত।
১০.৩ জায়নামাজে বসে ১০০০ বার “বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম” জপের গায়েবী শক্তি।
১০.৪ সংখ্যার ব্যাপারে কঠোরতা; ১০০০ বারের চেয়ে কম বা বেশি জপ না করা।
১০.৫ ১৫ মিনিটের এই সাধনাকে সর্বশক্তিশালী রূহানী সাধনা হিসেবে তাসাওউফে গণ্য করা।
১০.৬ রূহানী জগতের রাজত্ব লাভের পর নফসের তাকাব্বুর (অহংকার) সম্পূর্ণ দমন করা।
১০.৭ এই আমল চলাকালীন সব রকম আমিষ বা স্ত্রী সহবাস বর্জনের প্রয়োজন না থাকা।
১০.৮ পশু-পাখিকে আহার করিয়ে সৃষ্টির প্রতি রহমত প্রদর্শনের মাধ্যমে ক্বলব নরম করা।
১০.৯ বিসমিল্লাহর অসীম তাজাল্লীতে আলমে গায়েবের সকল রহস্য উন্মোচিত হওয়া।
১০.১০ গায়েবী জগতের সকল সৃষ্টিকে রবের গোলাম হিসেবে উপলব্ধি করার প্রজ্ঞা লাভ।
১০.১১ অর্জিত ক্ষমতাকে কেবল মজলুমের সাহায্য ও দ্বীনের পাহারাদারিতে ব্যবহার করা।
১০.১২ মোরাকাবা: বিসমিল্লাহর নূরে আলমে গায়েবের সকল মাখলুকাতকে আলোকিত দর্শন।
অধ্যায় ১১: তয়্যুল আরদ: আলমে মেসালে রূহানী ভ্রমণ (টেলিপোর্টেশন)
১১.১ এক স্থান থেকে মুহূর্তে অন্য স্থানে চলে যাওয়ার আদিম রূহানী তরিকা (তয়্যুল আরদ)।
১১.২ এই বিদ্যার মাধ্যমে দ্রুততম সময়ে বিভিন্ন শহর ও দেশে রূহানী ভ্রমণের গায়েবী ক্ষমতা।
১১.৩ বাঘের চামড়া দিয়ে তৈরি বিশেষ রূহানী পাদুকা (স্যান্ডেল) নির্মাণের বাতেনী হিকমত।
১১.৪ পাদুকার ওপর নির্দিষ্ট আসমানী তালিসমান খোদাই করে নূরী স্পন্দন তৈরি।
১১.৫ গন্তব্যের কথা চোখ বন্ধ করে কল্পনা করা এবং কোরআনী আয়াত ক্রমাগত পাঠ করা।
১১.৬ সূরা জুমার এর ৬৭ নং আয়াতের (“ওয়ামা কাদারুল্লাহা হাক্কা ক্বাদরিহী…”) তাজাল্লী প্রয়োগ।
১১.৭ চোখ খুললেই নিজেকে কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে আবিষ্কার করার অলৌকিক ও আসমানী প্রভাব।
১১.৮ এই শক্তি প্রাপ্তির জন্য অসীম ইয়াকিন ও গভীর রূহানিয়াতের পূর্বশর্ত।
১১.৯ সফলতার পর এই গুপ্ত জ্ঞান কোটি টাকার বিনিময়েও কাউকে প্রদান না করার কঠোর কসম।
১১.১০ রূহানী ভ্রমণের সময় ক্বলবকে জাগতিক সকল ভয় ও সংশয় থেকে মুক্ত রাখা।
১১.১১ এই ক্ষমতাকে কেবল নেক কাজে এবং শরীয়তের সীমানায় থেকে ব্যবহার করা।
১১.১২ মোরাকাবা: রবের আদেশে সময় ও স্থানের সীমানা অতিক্রম করে নিজের রূহের বিচরণ দর্শন।
অধ্যায় ১২: অদৃশ্য মাখলুকাতের রূহানী সর্দারের সাথে মোলাকাত
১২.১ মাত্র ১৫ মিনিটের সাধনায় অদৃশ্য মাখলুকাতের সর্দার (জিন্নাতদের বাদশাহ)-এর সাথে কথোপকথন।
১২.২ আমলের জন্য গভীর রাতে সম্পূর্ণ অন্ধকার, নির্জন ও পবিত্র কক্ষ নির্বাচনের নিয়ম।
১২.৩ আউযুবিল্লাহ ৩ বার এবং লা হাওলা ওয়ালা কুওয়্যাতা ৭ বার পাঠ করে সুরক্ষাবলয় তৈরি।
১২.৪ রূহানী মাখলুকাতের জন্য আল্লাহর কাছে রহমত ও সাহায্যের দোয়া ৩ বার পাঠ করা।
১২.৫ এরপর ৭ বার পবিত্র সূরা জিন তিলাওয়াতের মাধ্যমে গায়েবী স্পন্দন আকর্ষণ।
১২.৬ অদৃশ্য মুমিন রূহানী আত্মাদের জন্য রবের কাছে পুরস্কারের দোয়া ৭ বার পাঠ করা।
১২.৭ বাম দিকে ফিরে “ইয়াসফাদীশু” ও “ইয়াক্বতলামীদীশু” ৩ বার জপের বাতেনী প্রভাব।
১২.৮ রূহানী আত্মাদের ওপর সুখ, শান্তি ও সালাম বর্ষণের দোয়া উচ্চস্বরে ৭ বার পাঠ।
১২.৯ আল্লাহর মেহেরবানিতে সালামের রূহানী উত্তর শুনতে পাওয়ার গায়েবী ইশারা লাভ।
১২.১০ এক দিনে ফল না পেলে ৩ দিন বা ৭ দিন পর্যন্ত আমল চালিয়ে যাওয়ার ইস্তিকামাত।
১২.১১ রূহানী সর্দারের সাথে কথোপকথনের সময় তাওহীদী বিশ্বাস ও শরয়ী আদব বজায় রাখা।
১২.১২ মোরাকাবা: আলমে গায়েবের মাখলুকাতের সাথে রূহানী মোলাকাতে রবের মহিমা দর্শন।