সুপার মেগাক্লাস – অদৃশ্য মাখলুকাত ও সিফলী আছর (পর্ব ০২)
কুরআন, সুন্নাহ ও তাসাওউফের নিগূঢ় দর্শনে সাজানো এই মেগাক্লাসটি অদৃশ্য মাখলুকাত (জিন) এবং সিফলী আছরের রূহানী চিকিৎসা ও শাস্তির এক উচ্চতর আসমানী গাইডলাইন। নির্দিষ্ট আসমানী কোড (যেমন- ১১১১, ৩১৭) এবং কোরআনী আয়াতের জালালী তাজাল্লীর মাধ্যমে অবাধ্য জিনকে শনাক্তকরণ, আবদ্ধ করা, নজর অন্ধ করা এবং গায়বী বজ্রপাতের সাহায্যে স্থবির (পাথর) করার গোপন তরিকা এখানে শেখানো হয়েছে। এটি নিছক জিনবিদ্যা নয়, বরং আসমানী সুরক্ষাবলয় নির্মাণ করে ক্বলবের পরিশুদ্ধি ও ফানাফিল্লাহর মাকামে পৌঁছানোর এক অনন্ত আধ্যাত্মিক যাত্রা।
-
- কোর্সের লক্ষ্য: আসমানী কোড ও কোরআনী কালামের মাধ্যমে সকল প্রকার সিফলী আছর ও অবাধ্য জিনকে আবদ্ধ ও নিষ্ক্রিয় করে রোগীদের শিফায়ে কামেলা প্রদান এবং মহান রবের নৈকট্য (ফানাফিল্লাহ) অর্জন করা।
3,555.00৳
অধ্যায় ১: রূহানী শক্তি ও ক্বলবের আসমানী তাজাল্লী
ভূমিকা: নিজের ক্বলবকে শক্তিশালী করে গায়েবী ফয়েজ ধারণের প্রস্তুতি
১.১ রূহানী শক্তির প্রকৃত হাকিকত ও কোরআনী ভিত্তি
১.২ ক্বলবের জং দূর করে আসমানী তাজাল্লী ধারণের প্রস্তুতি
১.৩ রূহানী শক্তি বৃদ্ধির বিশেষ কোরআনী আমল ও মুরাকাবা
১.৪ আসমানী আদাদ ও গায়েবী কোডের মাধ্যমে ক্বলবের জ্যোতি বৃদ্ধি
১.৫ আমলকারীর শারীরিক ও বাতেনী পবিত্রতা অর্জনের শরয়ী বিধান
১.৬ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ও হালাল রিযিকের মাধ্যমে রূহানী শক্তি সঞ্চয়
১.৭ নফসে আম্মারাকে দমন করে নফসে মুতমাইন্নাহর স্তর অর্জন
১.৮ রূহানী শক্তির সাহায্যে রোগীর বাতেনী অবস্থা অনুধাবন (কাশফ)
১.৯ শক্তি লাভের পর নফসের তাকাব্বুর (অহংকার) থেকে কঠোর আত্মরক্ষা
১.১০ মোরাকাবা: রবের নূরে নিজের ক্বলবকে পরিপূর্ণ ও শক্তিশালী দর্শন
১.১১ অর্জিত রূহানী শক্তিকে কেবল দ্বীনের খেদমতে ব্যবহারের কসম
১.১২ রূহানী শক্তির আসল উৎস কেবল আল্লাহ—এই তাওহীদী একীন স্থাপন
অধ্যায় ২: গায়েবী চিকিৎসার ফয়েজ ও আসমানী বরকত
ভূমিকা: রবের শাফী নামের উসিলায় চিকিৎসার সুনাম ও যশ অর্জন
২.১ রূহানী চিকিৎসার সুনাম ও যশের বাতেনী হাকিকত
২.২ রবের শাফী নামের উসিলায় চিকিৎসার আসমানী বরকত লাভ
২.৩ চিকিৎসার সুনাম ছড়িয়ে পড়ার বিশেষ রূহানী আমল ও জিকির
২.৪ আসমানী কোডের মাধ্যমে মানুষের অন্তরে চিকিৎসার প্রতি আস্থা তৈরি
২.৫ রোগীর ক্বলবে আমলকারীর প্রতি হালাল মোহাব্বত ও সম্মান (হায়বাত) সৃষ্টি
২.৬ সুনাম ছড়িয়ে পড়ার পর জাগতিক লোভ ও রিয়া (লোকদেখানো) থেকে মুক্তি
২.৭ চিকিৎসার বিনিময়ে প্রাপ্ত হাদিয়াকে হালাল ও পবিত্র রাখার শরয়ী নিয়ম
২.৮ রূহানী চিকিৎসার পাশাপাশি সুন্নতী আখলাক ও সুন্দর আচরণ বজায় রাখা
২.৯ চারপাশের সমাজ ও রাষ্ট্রে কোরআনী চিকিৎসার আলো ছড়িয়ে দেওয়া
২.১০ মোরাকাবা: রবের রহমতে হাজারো রোগীর আরোগ্য লাভের গায়েবী দর্শন
২.১১ সুনাম বৃদ্ধির সাথে সাথে ইবাদতে চরম বিনয় (খুশু-খুজু) অর্জন
২.১২ সকল প্রশংসার মালিক কেবল আল্লাহ—এই চেতনায় ক্বলবকে প্রশান্ত রাখা
অধ্যায় ৩: ফিতনাকারী মাখলুকাতকে রূহানী সীমানায় আবদ্ধকরণ
ভূমিকা: অবাধ্য জিনকে মানবদেহ থেকে বের করে কোরআনী শেকলে বন্দি করা
৩.১ অবাধ্য জিন ও ফিতনাকারীকে রূহানী সীমানায় আবদ্ধ (আটকানো) করার হিকমত
৩.২ নেতিবাচক শক্তিকে ক্বলব ও শরীর থেকে বের করে কোরআনী শেকলে বন্দি করা
৩.৩ অবাধ্য জিনকে আটকানোর শক্তিশালী রূহানী আমল ও কালাম
৩.৪ নির্দিষ্ট আসমানী কোড জপের মাধ্যমে জিনের পলায়নের পথ রুদ্ধ করা
৩.৫ আবদ্ধ করার সময় রোগীর যেন কোনো শারীরিক ক্ষতি না হয় তার সুরক্ষা
৩.৬ জিনকে আবদ্ধ করার পর শরীয়তের সীমানায় থেকে জিজ্ঞাসাবাদ
৩.৭ এই জালালী আমলের সময় আমলকারীর ক্বলবকে সম্পূর্ণ ভয়মুক্ত রাখা
৩.৮ আবদ্ধ শক্তিকে পুনরায় ফিতনা ছড়াতে না দেওয়ার গায়েবী নির্দেশ
৩.৯ জিন আটকানোর পর তাকে দ্বীনের দাওয়াত দিয়ে হেদায়েতের পথ দেখানো
৩.১০ মোরাকাবা: রবের নূরী শেকলে অবাধ্য শক্তির বন্দিদশা দর্শন
৩.১১ বিনা কারণে কোনো মাখলুককে কষ্ট না দেওয়ার কঠোর আমানতদারি
৩.১২ রবের অসীম ক্ষমতার সামনে সকল ফিতনার পতন অনিবার্য—এই বিশ্বাস
অধ্যায় ৪: আসমানী বিচার: অবাধ্য শক্তির রূহানী শাস্তি
ভূমিকা: জালিম মাখলুককে কোরআনী আদেশে বিচার ও শাস্তি প্রদান
৪.১ অবাধ্য ও জালিম জিনকে আসমানী শাস্তি প্রদানের শরয়ী বিধান
৪.২ মানুষের ওপর জুলুমকারী মাখলুককে কোরআনী আদেশে বিচার করা
৪.৩ জিনকে রূহানী শাস্তি দেওয়ার বিশেষ জালালী আমল ও তাজাল্লী
৪.৪ আসমানী কোড বা আদাদের স্পন্দনে অবাধ্য শক্তির ওপর গায়েবী আঘাত
৪.৫ শাস্তির মাত্রা নির্ধারণে রবের ইনসাফ ও হেকমতের অনুসরণ
৪.৬ জিন যদি তাওবাহ করে, তবে তাকে ক্ষমা করার তাসাওউফী উদারতা
৪.৭ চরম অবাধ্য হলে তাকে পুড়িয়ে ভস্ম করার কোরআনী হুংকার
৪.৮ শাস্তিদানের সময় রোগীর চারপাশ রূহানী বেষ্টনীতে (হিসারে) সুরক্ষিত রাখা
৪.৯ এই জালালী শক্তির প্রয়োগে নফসের রাগ বা ব্যক্তিগত আক্রোশ বর্জন
৪.১০ মোরাকাবা: আসমানী আদালতের বিচারে জালিম জিনের শাস্তি দর্শন
৪.১১ গায়েবী মাখলুকাতের মাঝে ইসলামী ইনসাফ প্রতিষ্ঠার রূহানী দায়িত্ব
৪.১২ শাস্তিদানের পর ক্বলবে রবের দয়ালু নামের জিকির করে প্রশান্তি আনয়ন
অধ্যায় ৫: বাতেনী দৃষ্টি ও সিফলী আছরের নজর অন্ধকরণ
ভূমিকা: অবাধ্য জিনের ক্ষতিকর দৃষ্টি (নজর) রূহানীভাবে অকেজো করা
৫.১ সিফলী আছর ও অবাধ্য জিনের ক্ষতিকর দৃষ্টি (নজর) অন্ধ করার হিকমত
৫.২ রোগীর দিকে তাকিয়ে থাকা শয়তানী চোখকে রূহানীভাবে অকেজো করা
৫.৩ জিনের দৃষ্টিশক্তি হরণ করার শক্তিশালী কোরআনী আমল ও জিকির
৫.৪ জিনের বাতেনী চোখ অন্ধ করে তাকে দুর্বল করার গায়েবী কোড
৫.৫ জিনের দৃষ্টি অন্ধ হওয়ার পর তার ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্নভিন্ন করা
৫.৬ আমলকারীর ওপর জিনের নজর পড়া থেকে বাঁচতে আসমানী পর্দা (হিজাব)
৫.৭ এই আমলের মাধ্যমে রোগীকে জিনের ভবিষ্যৎ আক্রমণ থেকে নিরাপদ রাখা
৫.৮ দৃষ্টিহীন জিনকে রবের কাছে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য করা
৫.৯ জিনের নজর অন্ধ করার সময় ক্বলবের দৃঢ়তা (হায়বাত) সর্বোচ্চ রাখা
৫.১০ মোরাকাবা: কোরআনের নূরে শয়তানের অন্ধকার দৃষ্টি চিরতরে বিলীন দর্শন
৫.১১ এই জালালী আমলকে কেবল চরম প্রয়োজনে ও মানবকল্যাণে ব্যবহার করা
৫.১২ অন্ধকারের ওপর নূরের বিজয়—এই তাওহীদী চেতনায় ইবাদত বৃদ্ধি
অধ্যায় ৬: আসমানী কয়েদখানা: গায়েবী কোডের (১১১১) প্রয়োগ
ভূমিকা: ১১১১ আসমানী কোডের মাধ্যমে জিনকে গায়েবী জেলখানায় বন্দিকরণ
৬.১ ১১১১ আসমানী কোডের মাধ্যমে অবাধ্য জিনকে গায়েবী কয়েদখানায় আবদ্ধকরণ
৬.২ আলমে বারযাখের বিশেষ রূহানী জেলখানার বাতেনী পরিচয়
৬.৩ ১১১১ কোডটি ১১ বার জপ করে রবের কাছে জিনকে বন্দি করার আরজি
৬.৪ এই কোডের তাজাল্লীতে জিনের সমস্ত ক্ষমতা নিমিষে স্তব্ধ হয়ে যাওয়া
৬.৫ গায়েবী জেলখানায় আবদ্ধ জিনের ওপর ফেরেশতাদের আসমানী পাহারাদারি
৬.৬ এই আমল প্রয়োগের পূর্বে ৩ বার তাওবাহ ও ১১ বার দরুদ শরীফের পাবন্দি
৬.৭ জাদুকরের পাঠানো চালানকৃত জিনকে সরাসরি গায়েবী জেলে প্রেরণ
৬.৮ জেলখানায় আবদ্ধ জিন যেন কখনো ফিরে আসতে না পারে তার রূহানী সীলমোহর
৬.৯ এই শক্তিশালী কোডকে সাধারণের কাছ থেকে গোপন রাখার শরয়ী আমানতদারি
৬.১০ মোরাকাবা: ১১১১-এর স্পন্দনে জিনের গায়েবী জেলখানায় বন্দিদশা দর্শন
৬.১১ সমাজের সকল ফিতনাকারীকে রূহানীভাবে আবদ্ধ করার বাতেনী শক্তি
৬.১২ সকল কয়েদখানা ও ক্ষমতার একমাত্র নিয়ন্ত্রক আল্লাহ—এই একীন
অধ্যায় ৭: কোরআনী বজ্রপাত: ইয়া কাহহারু-এর জালালী তাজাল্লী
ভূমিকা: রবের মহাপরাক্রমশালী নামের স্পন্দনে সিফলী শক্তির বিনাশ
৭.১ ইয়া কাহহারু-এর জালালী তাজাল্লীতে অবাধ্য জিনের ওপর রূহানী বজ্রপাত
৭.২ রবের কাহহার (মহাপরাক্রমশালী) নামের স্পন্দনে সিফলী শক্তির বিনাশ
৭.৩ ১১ বার ইয়া কাহহারু জপ করে জিনের ওপর কোরআনী বজ্রপাতের নির্দেশ
৭.৪ মাত্র ৩ বার আদেশের মাধ্যমে জিনের রূহানী অস্তিত্বে ভয়াবহ কম্পন সৃষ্টি
৭.৫ এই আসমানী বজ্রপাতে জাদুকর ও জিনের মধ্যকার সকল কুফরী চুক্তি ভস্ম হওয়া
৭.৬ বজ্রপাতের সময় রোগীর ক্বলবকে রবের রহমতের চাদরে নিরাপদ রাখা
৭.৭ এই জালালী আমলকারীকে অবশ্যই হালাল রিযিক ও তাকওয়ার অধিকারী হতে হবে
৭.৮ জিনের অহংকার চূর্ণ করে তাকে রবের মহত্ত্ব স্বীকারে বাধ্য করা
৭.৯ বজ্রপাতের পর চারপাশের পরিবেশে আসমানী সাকিনাহ (প্রশান্তি) আনয়ন
৭.১০ মোরাকাবা: ইয়া কাহহারু-এর নূরে আকাশ থেকে গায়েবী বজ্রপাতের দর্শন
৭.১১ ধ্বংসাত্মক শক্তির প্রয়োগে নফসের তাকাব্বুর পরিহার করে রবের ভয়ে কাঁদা
৭.১২ রবের জালালী ও জামালী উভয় নামের প্রতি ক্বলবের গভীর মহব্বত
অধ্যায় ৮: আসমানী আদাদ (৩১৭): ফিতনার ওপর গায়েবী বজ্রপাত
ভূমিকা: ৩১৭ আসমানী কোডের মাধ্যমে জিনের ওপর গায়েবী বজ্রপাত নিক্ষেপ
৮.১ ৩১৭ আসমানী কোডের মাধ্যমে জিনের ওপর গায়েবী বজ্রপাত নিক্ষেপ
৮.২ ৩১৭ কোডটি ১১ বার জপ করে কোরআনী বজ্রপাতের আসমানী আরজি
৮.৩ এই গাণিতিক স্পন্দনের সাথে সাথে জিনের নেতিবাচক এনার্জি ছিন্নভিন্ন হওয়া
৮.৪ মাত্র ৩ বার আদেশের ফলে অবাধ্য মাখলুকের চরম পতন নিশ্চিতকরণ
৮.৫ ৩১৭ কোড ও ইয়া কাহহারু নামের সম্মিলিত প্রয়োগের বাতেনী হিকমত
৮.৬ চরম অবাধ্য ও শক্তিশালী জিনের ক্ষেত্রে এই কোডের অসীম কার্যকারিতা
৮.৭ বজ্রপাতের প্রভাবে জিনের শরীর থেকে রোগীর শরীরের ওপর নিয়ন্ত্রণ খর্ব হওয়া
৮.৮ আমলকারীর ক্বলবে রবের প্রতাপশালী নূরের বিকিরণ অনুভব করা
৮.৯ এই কোড ব্যবহারের পর রোগীর শরীরকে রূহানী পানিতে গোসল করানো
৮.১০ মোরাকাবা: ৩১৭-এর স্পন্দনে সিফলী শক্তির চূড়ান্ত বিনাশ দর্শন
৮.১১ আসমানী কোডগুলোকে কেবল মজলুমের সাহায্যে ঢাল হিসেবে ব্যবহার
৮.১২ রবের আদেশে মুহূর্তের মধ্যে ফিতনার পতন ঘটে—এই ঈমানী দৃঢ়তা
অধ্যায় ৯: রূহানী স্থবিরকরণ: অবাধ্য শক্তিকে নিষ্ক্রিয় (পাথর) করা
ভূমিকা: জুল জালালি অল ইকরাম নামের তাজাল্লীতে জিনের গতিবিধি রুদ্ধ করা
৯.১ অবাধ্য জিনকে রূহানীভাবে পাথর বা স্থবির করে দেওয়ার কোরআনী বিদ্যা
৯.২ রবের জুল জালালি অল ইকরাম নামের তাজাল্লীতে জিনের গতিবিধি রুদ্ধ করা
৯.৩ ১১ বার এই পবিত্র নাম জপ করে জিনকে পাথর হওয়ার রূহানী আদেশ
৯.৪ মাত্র ৩ বার আদেশের ফলে জিনের সকল শক্তি ও নড়াচড়ার ক্ষমতা বিলুপ্ত হওয়া
৯.৫ পাথর বা নিষ্ক্রিয় হয়ে যাওয়া জিনকে পুনরায় নরমাল (স্বাভাবিক) করার আমল
৯.৬ রোগীর শরীর থেকে জিনকে বের করে তারপর তাকে পাথর করার হিকমত
৯.৭ এই জালালী আমলের মাধ্যমে জাদুকরের পাঠানো জিনকে চিরতরে অকেজো করা
৯.৮ স্থবির হয়ে যাওয়া জিনকে দ্বীনের দাওয়াত দিয়ে রবের পথে ফিরে আসার সুযোগ
৯.৯ জুল জালালি অল ইকরাম নামের মহত্ত্ব ও দয়ার অপূর্ব সমন্বয় অনুধাবন
৯.১০ মোরাকাবা: রবের আদেশে ফিতনাকারী শক্তির পাথরের ন্যায় নিষ্ক্রিয় দর্শন
৯.১১ রূহানী স্থবিরকরণের পর রবের দরবারে শোকরিয়ার সিজদা আদায়
৯.১২ সকল নড়াচড়া ও স্থবিরতার একমাত্র নিয়ন্ত্রক আল্লাহ—এই একীন
অধ্যায় ১০: হাজিরাতে রহমানী ও চিরস্থায়ী আসমানী হিসার
ভূমিকা: রূহানী চিকিৎসার পূর্বে ও পরে ক্বলবকে সুরক্ষিত রাখার কোরআনী বর্ম
১০.১ হাজিরাতে রহমানী ও চিরস্থায়ী আসমানী সুরক্ষাবলয় (হিসার) নির্মাণ
১০.২ রূহানী চিকিৎসার পূর্বে ও পরে ক্বলবকে শয়তানের ওয়াসওয়াসা থেকে রক্ষা
১০.৩ আয়াতুল কুরসী, সূরা হাশর ও সূরা বুরুজের আয়াতের গায়েবী তাজাল্লী
১০.৪ কুন ফায়াকুন-এর আসমানী ক্ষমতায় শরীর ও গৃহের চারপাশে নূরী বেষ্টনী
১০.৫ নির্দিষ্ট সংখ্যায় হাজিরাতে রহমানী জপের মাধ্যমে ফেরেশতাদের পাহারাদারি
১০.৬ জিনকে আবদ্ধ বা শাস্তি দেওয়ার পর রোগীর সুরক্ষায় এই হিসারের প্রয়োগ
১০.৭ প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যায় এই আমল জারি রেখে রূহানী বর্ম সচল রাখা
১০.৮ বদনজর, হিংসা ও জাদুর বিষাক্ত তীর খণ্ডন করে রিফ্লেকশন ঢাল তৈরি
১০.৯ পরিবারের সকল সদস্যকে এই আসমানী সুরক্ষার আওতায় নিয়ে আসা
১০.১০ মোরাকাবা: নিজেকে ও রোগীকে একটি অভেদ্য আসমানী নূরের দুর্গের ভেতর দর্শন
১০.১১ সুরক্ষাবলয় তৈরির পর রবের হেফাজতের ওপর পূর্ণ তাওয়াক্কুল ও নির্ভারতা
১০.১২ দৃশ্যমান ও অদৃশ্য জগতের সকল মুসিবত থেকে রবের দরবারে পানাহ চাওয়া
অধ্যায় ১১: মোরাকাবায়ে খফী ও দূরবর্তী তাওয়াজ্জুহ
ভূমিকা: সময় ও স্থানের সীমানা পেরিয়ে দূরবর্তী রোগীর রূহানী চিকিৎসা
১১.১ মোরাকাবায়ে খফী ও দূরবর্তী রোগীর ক্বলবে রূহানী তাওয়াজ্জুহ প্রেরণ
১১.২ সময় ও স্থানের সীমানা পেরিয়ে দূরবর্তী রোগীর রূহানী চিকিৎসার বাতেনী বিজ্ঞান
১১.৩ চিন্তার নূরী তরঙ্গ তৈরি ও দূরবর্তী ক্বলবে তা নিক্ষেপ করে আছর শনাক্তকরণ
১১.৪ দূর থেকে কোরআনী কালামের জালালী স্পন্দন পাঠিয়ে জিনকে আবদ্ধ বা শাস্তি প্রদান
১১.৫ দূরবর্তী রোগীর চারপাশে আসমানী কোডের মাধ্যমে গায়েবী হিসার তৈরি
১১.৬ রোগীর ক্বলবে রূহানী তরঙ্গের মাধ্যমে ভয় দূর করে সাকিনাহ (প্রশান্তি) প্রেরণ
১১.৭ আলমে মেসালের মাধ্যমে দূরবর্তী স্থানে রূহানীভাবে উপস্থিত হয়ে চিকিৎসা করা
১১.৮ দূরবর্তী চিকিৎসার সময় আমলকারীর একাগ্রতা (ফোকাস) ও ইখলাস সর্বোচ্চ রাখা
১১.৯ এই বিদ্যার মাধ্যমে প্রবাসী বা দূরে থাকা আপনজনের রূহানী সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ
১১.১০ মোরাকাবা: নূরী তরঙ্গের মাধ্যমে দুই রূহের মাঝে আসমানী শিফা বিনিময় দর্শন
১১.১১ রূহানী তাওয়াজ্জুহের মাধ্যমে অন্যের ক্বলবে হেদায়েতের নূর সঞ্চারণ
১১.১২ সময় ও স্থানের ঊর্ধ্বে উঠে রবের রহমত পৌঁছে দেওয়ার তাসাওউফী দর্শন
অধ্যায় ১২: ফানাফিল্লাহ ও রূহানী চিকিৎসায় চূড়ান্ত সমর্পণ
ভূমিকা: সকল গায়েবী চিকিৎসা শেষে রবের ইচ্ছার কাছে পূর্ণ সমর্পণ
১২.১ ফানাফিল্লাহ ও রূহানী চিকিৎসার শেষে রবের ইচ্ছার কাছে পূর্ণ সমর্পণ
১২.২ সকল গায়েবী বিদ্যা ও রূহানী ফয়েজকে নিজের ফিতরাতে (স্বভাবে) পরিণত করা
১২.৩ আমলকারী কখনো শিফা দেয় না, একমাত্র শাফী আল্লাহ—এই তাওহীদী একীন অর্জন
১২.৪ সচেতন মন এবং বাতেনী ক্বলবের মাঝে আর কোনো পর্দা বা দেয়াল না থাকা
১২.৫ গায়েবী জগতের এত ক্ষমতা পাওয়ার পরও নিজেকে রবের সবচেয়ে ক্ষুদ্র গোলাম মনে করা
১২.৬ রূহানী কালিমার স্পন্দনে ফানাফিল্লাহর স্তরে পৌঁছে নিজের আমিত্ব চিরতরে ধ্বংস করা
১২.৭ অদৃশ্য জগত সম্পর্কে প্রাপ্ত ইলমকে কঠোরভাবে গোপন রেখে আমানতদারি রক্ষা
১২.৮ সমস্ত গায়েবী ক্ষমতাকে কেবল মানবকল্যাণ, আত্মশুদ্ধি ও দ্বীনের পাহারাদারিতে ব্যবহার
১২.৯ আজীবন মানুষের রূহানী চিকিৎসা করে যাওয়ার জন্য রবের কাছে ইস্তিকামাতের দোয়া
১২.১০ চূড়ান্ত মোরাকাবা: সকল ক্ষমতার হিসাব ভুলে কেবল রবের প্রেমে (ইশকে ইলাহী) ডুবে যাওয়া
১২.১১ কারামাত (অলৌকিকতা) প্রদর্শন থেকে নিজেকে কঠোরভাবে বিরত রেখে বিনয়ী হওয়া
১২.১২ মেগাক্লাসের সমাপ্তি—গায়েবী ফয়েজ নিয়ে রবের একনিষ্ঠ গোলামে পরিণত হওয়া