divine-codex.com

সুপার মেগাক্লাস – রবের ফুৎকার

কুরআন, সুন্নাহ ও তাসাওউফের নিগূঢ় দর্শনে সাজানো এই মেগাক্লাসটি কঠোর বৈরাগ্য ছাড়াই আত্মজাগরণের এক পূর্ণাঙ্গ রূহানী গাইডলাইন। নির্দিষ্ট ইসমে আযম এবং মোরাকাবার মাধ্যমে মানবদেহের সুপ্ত লতিফাসমূহ (ক্বলব, রূহ, সির, খফী, আখফা) ও বাতেনী চক্র জাগ্রত করে নফসের পরিশুদ্ধি, কাশফ এবং ইলহাম লাভের গোপন তরিকা এখানে ধাপে ধাপে শেখানো হয়েছে। এটি কেবল একটি সাধনা নয়, বরং নিজের ভেতরের রূহানী শক্তির হাকিকত জেনে ফানাফিল্লাহর মাকামে পৌঁছানোর এক আসমানী সফর।

    • ​কোর্সের লক্ষ্য: নির্দিষ্ট রূহানী সাধনায় মানবদেহের সুপ্ত লতিফাগুলো জাগ্রত করার মাধ্যমে নফসকে পরিশুদ্ধ করে মহান রবের সন্তুষ্টি ও ফানাফিল্লাহর চূড়ান্ত মাকাম অর্জন করা।

3,555.00৳ 

অধ্যায় ১: রূহানী জাগরণের হাকিকত ও তরীক্বার আদব

ভূমিকা: সাধনাহীন আত্মজাগরণের তাসাওউফী দর্শন ও শর্তাবলি
১.১ রবের ফুৎকার বা মানবদেহে রূহানী শক্তির গুপ্ত রহস্য
১.২ আত্মজাগরণের জন্য ১২০ দিনের নিরবচ্ছিন্ন সাধনার গুরুত্ব
১.৩ সাধনা চলাকালীন শরয়ী বিধান ও পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের কঠোর পাবন্দি
১.৪ নফসকে পবিত্র রাখতে সৃষ্টির সেবা (পশু-পাখিকে আহার প্রদান)
১.৫ দুনিয়া ত্যাগের প্রয়োজন নেই: হালাল আমিষ ও স্বাভাবিক জীবনযাপন
১.৬ ইবাদতের পবিত্রতা: ওজু, ইস্তিগফার ও দুরুদে ইবরাহীমের আমল
১.৭ চন্দ্রমাসের প্রথম তারিখ এবং এশার পর ঘুমের পূর্বের রূহানী সময়
১.৮ সুগন্ধি (আগরবাতি) ও নূরের (মোমবাতি) মাধ্যমে মোরাকাবার পরিবেশ তৈরি
১.৯ নারীদের ক্ষেত্রে বিশেষ দিনগুলোতে আমল চলমান রাখার শরয়ী বিধান
১.১০ অর্জিত রূহানী ইলম ও গায়েবী শক্তির কঠোর আমানতদারি রক্ষা
উপসংহার: রূহানী সাধনায় অহংকার পরিহার করে রবের প্রতি পূর্ণ সমর্পণ

অধ্যায় ২: লতিফায়ে ক্বলব: তাওবাহ ও আত্মশুদ্ধির মাকাম

ভূমিকা: ক্বলবের জং পরিষ্কার করে রবের দিকে ফিরে আসা (তাওবাহ)
২.১ মানবদেহে ক্বলবের অবস্থান (বাম স্তনের দুই আঙুল নিচে) ও এর হাকিকত
২.২ ক্বলবের বাতেনী ব্যাধি ও নাফরমানীর অন্ধকার দূরীকরণের উপায়
২.৩ তাওবার মাকাম হাছিল করা এবং স্থায়ীভাবে পাপ থেকে ফিরে আসা
২.৪ ক্বলব জাগ্রত করার বিশেষ ইসমে আযম (ইয়া রাব্বি ক্বাবিলাত তাওবা…)
২.৫ মোরাকাবার পূর্বে ৩ বার তাওবাহ ও ১১ বার দরুদ শরীফের আমল
২.৬ জায়নামাজে বসে ৫ মিনিট গভীর মোরাকাবায় ক্বলবের স্পন্দন শোনা
২.৭ ইসমে আযমটি নির্দিষ্টভাবে ২১ বার জপের গায়েবী হিকমত ও শক্তি
২.৮ জিকিরের পর পুনরায় দরুদ পাঠের মাধ্যমে রূহানী ফয়েজ সংরক্ষণ
২.৯ ৪০ দিনের মাথায় ক্বলবের গভীরে আল্লাহ প্রদত্ত নূরের প্রথম স্ফুরণ
২.১০ অর্জিত এই রূহানী শক্তিকে সর্বদা গোপন রেখে ইবাদতে মশগুল থাকা
উপসংহার: ক্বলব জিন্দা হওয়ার পর সর্বদা আল্লাহর স্মরণে লিপ্ত থাকা

অধ্যায় ৩: লতিফায়ে রূহ ও লতিফায়ে সির: ইনাবত ও যুহদের মাকাম

ভূমিকা: দুনিয়ার মোহ ত্যাগ করে রবের দিকে রুজু হওয়ার বাতেনী তরিকা
৩.১ লতিফায়ে রূহের অবস্থান (ডান স্তনের নিচে) ও ইনাবতের হাকিকত
৩.২ নেক কাজের দিকে রুজু হওয়া এবং পাপের আকর্ষণ চিরতরে ধ্বংস করা
৩.৩ রূহকে জাগ্রত করার ইসমে আযম (ইয়া রাব্বিল্লাযি ইয়াহদি আবদি…)
৩.৪ লতিফায়ে সির-এর অবস্থান (বাম স্তনের উপরে) ও এর গোপন রহস্য
৩.৫ যুহদের মাকাম: দুনিয়ার মোহ ও বিলাসিতা থেকে কালবকে মুক্ত করা
৩.৬ অন্তরকে দ্বীনের ওপর অটল রাখতে ইসমে আযম (ইয়া মুকাল্লিবাল কুলুব…)
৩.৭ একই নিয়মে মোরাকাবা ও ২১ বার জপের মাধ্যমে মাকাম হাছিল
৩.৮ রূহ ও সির জাগ্রত হওয়ার পর দুনিয়াবী সম্পদের প্রতি নির্লিপ্ততা
৩.৯ নফসের ধোঁকা থেকে আত্মরক্ষা করে রূহানী পথে অবিচল থাকা
৩.১০ মোরাকাবা: রূহ ও সিরের মাকামে রবের নূরের তাজাল্লী দর্শন
উপসংহার: দুনিয়াকে কেবল আখিরাতের ফসল ফলানোর ক্ষেত্র হিসেবে গ্রহণ

অধ্যায় ৪: লতিফায়ে খফী ও আখফা: পরহেজগারী ও শোকর গুজারীর মাকাম

ভূমিকা: সন্দেহজনক বস্তু বর্জন এবং রবের নেয়ামতের শুকরিয়া
৪.১ লতিফায়ে খফীর অবস্থান (ডান স্তনের উপরে) ও বাতেনী পবিত্রতা
৪.২ অরা বা পরহেজগারীর মাকাম: সন্দেহযুক্ত হারাম থেকে রূহকে বাঁচানো
৪.৩ পাপ থেকে দূরে থাকতে ইসমে আযম (ইয়া রাব্বি গাফিরায যুনুব…)
৪.৪ লতিফায়ে আখফার অবস্থান (বক্ষস্থলের মাঝখানে) ও এর উচ্চতর মাকাম
৪.৫ শোকর গুজারী: রবের ফয়সালায় সন্তুষ্ট থেকে সর্বদা আলহামদুলিল্লাহ বলা
৪.৬ নাশোকরী ও হতাশা দূর করতে ইসমে আযমের (আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল…) আমল
৪.৭ নির্দিষ্ট সময়ে মোরাকাবা ও ২১ বার জপের মাধ্যমে নূরী স্পন্দন সৃষ্টি
৪.৮ খফী ও আখফা জাগ্রত হওয়ার পর সাধকের আখলাকে (চরিত্রে) পরিবর্তন
৪.৯ সর্বাবস্থায় রবের প্রশংসা করার মাধ্যমে গায়েবী রহমত লাভ
৪.১০ মোরাকাবা: বক্ষের গভীরে আসমানী প্রশান্তির (সাকিনাহ) অবতরণ অনুভব
উপসংহার: তাকওয়া ও শুকরিয়ার মাধ্যমে রবের সর্বাধিক নৈকট্য হাসিল

অধ্যায় ৫: লতিফায়ে নফস: তাওয়াক্কুলের মাকাম ও পূর্ণ নির্ভরতা

ভূমিকা: সৃষ্টির ওপর নির্ভরতা ত্যাগ করে স্রষ্টার ওপর ভরসা স্থাপন
৫.১ লতিফায়ে নফসের অবস্থান (পেশানী বা সিজদার স্থানে) ও এর হাকিকত
৫.২ নফসে আম্মারাকে দমন করে আল্লাহর ফয়সালার ওপর তাওয়াক্কুল
৫.৩ গইরুল্লাহর (আল্লাহ ছাড়া অন্য কিছুর) ওপর ভরসা করার শিরক থেকে মুক্তি
৫.৪ নফসকে সমর্পিত করতে ইসমে আযম (হাসবিয়্যাল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়া…)
৫.৫ মোরাকাবার মাধ্যমে নফসের যাবতীয় অহংকার ও ভয় দূরীকরণ
৫.৬ সিজদার স্থানে নূরের স্পন্দন অনুভব এবং গায়েবী সাহসের সঞ্চার
৫.৭ ২১ বার ইসমে আযম জপের মাধ্যমে নফসকে রবের হুকুমে আবদ্ধ করা
৫.৮ তাওয়াক্কুলের মাকাম হাছিল হওয়ার পর দুনিয়াবী পেরেশানি থেকে চিরমুক্তি
৫.৯ যেকোনো বিপদে কেবল আরশের মালিকের কাছেই সাহায্য প্রার্থনা
৫.১০ মোরাকাবা: নিজের অস্তিত্বকে রবের কুদরতের সাগরে ভাসিয়ে দেওয়া
উপসংহার: তাওয়াক্কুলই হলো মুমিনের সবচেয়ে বড় রূহানী হাতিয়ার ও ঢাল

অধ্যায় ৬: আরবায়ে আনাছের: পানি, আগুন, মাটি ও বাতাসের রূহানী ফিতরাত

ভূমিকা: মানব সৃষ্টির চার উপাদানের বাতেনী স্তর ও আত্মশুদ্ধি
৬.১ আরবায়ে আনাছের (চার উপাদান)-এর হাকিকত ও সারা শরীরে এর অবস্থান
৬.২ লতিফায়ে আব (পানি): কুনায়াত বা অল্পে তুষ্ট থাকার মাকাম অর্জন
৬.৩ লোভ ও অলসতা দূর করতে ইসমে আযমের (আলহামদুলিল্লাহি…) প্রয়োগ
৬.৪ লতিফায়ে আতশ (আগুন): তাসলীম বা রবের হুকুমে পূর্ণ আত্মসমর্পণের মাকাম
৬.৫ বদমেজাজ ও বিদ্রোহ দমন করতে ইসমে আযমের (ইয়া রাব্বিামনাহনী…) আমল
৬.৬ লতিফায়ে খাক (মাটি): রিদ্বা বা তকদীরের ওপর সন্তুষ্ট ও বিনয়ী হওয়ার মাকাম
৬.৭ অহংকার দূর করতে ইসমে আযমের (ইয়া রাব্বিল ক্বাদার…) রূহানী প্রয়োগ
৬.৮ লতিফায়ে বাদ (বাতাস): ছবর বা সর্বাবস্থায় ধৈর্যধারণের মাকাম হাসিল
৬.৯ অস্থিরতা ও ভোগ-বিলাসিতা দূর করতে ইসমে আযমের (রাব্বিজআলনী…) জপ
৬.১০ মোরাকাবা: চার উপাদানের ভারসাম্য রক্ষা করে কালবকে প্রশান্ত করা
উপসংহার: এই চার উপাদানের পরিশুদ্ধির মাধ্যমেই প্রকৃত ইনসানে কামেল হওয়া যায়

অধ্যায় ৭: মাকামে মূলাধার: রূহানী শক্তির প্রাথমিক জাগরণ

ভূমিকা: বাতেনী সুপ্ত শক্তির (কুণ্ডলিনী) ইসলামী হাকিকত ও সূচনা
৭.১ মানবদেহের অভ্যন্তরে লুকিয়ে থাকা রূহানী কেন্দ্রগুলোর (চক্র) আসমানী পরিচয়
৭.২ মাকামে মূলাধার (Base Center)-এর অবস্থান ও পৃথিবীর উপাদানের সাথে সংযোগ
৭.৩ এই মাকামের সুপ্ত শক্তি জাগ্রত হলে প্রাণশক্তি ও বাতেনী আকর্ষণের বৃদ্ধি
৭.৪ মানসিক চাপ থেকে মুক্তি ও রূহানী যাত্রার প্রথম স্তর অতিক্রম
৭.৫ এই মাকামকে জাগ্রত করার কোরআনী ইসমে আযম (আলিফ লা-ম মী-ম)
৭.৬ ১২০ দিনের ধারাবাহিক সাধনা ও শরয়ী শর্তাবলি পালনের গুরুত্ব
৭.৭ এশার পর ৫ মিনিট মোরাকাবা ও ২১ বার হুরুফে মুকাত্তায়াতের জপ
৭.৮ এই নূরী স্পন্দনের ফলে নফসের গভীরে লুকানো শক্তির স্ফুরণ
৭.৯ রূহানী শক্তি লাভের পর অহংকার থেকে আত্মরক্ষা করার কড়া নির্দেশ
৭.১০ মোরাকাবা: মাটির সাথে নিজের সৃষ্টির আদি সম্পর্ক অনুধাবন করা
উপসংহার: রূহানী মাকামের প্রথম দরজা উন্মোচনের পর রবের শুকরিয়া আদায়

অধ্যায় ৮: মাকামে স্বাধিষ্ঠান ও মণিপুর: নফসের ভারসাম্য ও সাকিনাহ

ভূমিকা: জলো ও অগ্নির উপাদানের রূহানী পরিশুদ্ধি ও নিয়ন্ত্রণ
৮.১ মাকামে স্বাধিষ্ঠান-এর অবস্থান এবং পানির উপাদানের সাথে এর বাতেনী সম্পর্ক
৮.২ এই মাকাম জাগ্রত হলে নফসের কুপ্রবৃত্তি নিয়ন্ত্রণ ও পারিবারিক শান্তি লাভ
৮.৩ স্বাধিষ্ঠান মাকামের কোরআনী ইসমে আযম (আলিফ লাম মী-ম র-) এর প্রয়োগ
৮.৪ মাকামে মণিপুর (নাভিমূল)-এর অবস্থান এবং আগুনের উপাদানের সাথে সংযোগ
৮.৫ এই মাকাম জাগ্রত হলে শারীরিক সুস্থতা, রাগ প্রশমন ও রূহানী শক্তি অর্জন
৮.৬ ঘন্টার পর ঘন্টা মোরাকাবায় স্থির থাকার গায়েবী ক্ষমতা লাভ
৮.৭ মণিপুর মাকামের কোরআনী ইসমে আযম (কা-ফ হা- ইয়া- আই-ন সোয়া-দ)
৮.৮ নির্দিষ্ট সময়ে ওজরত ও পবিত্রতার সাথে ২১ বার কালাম জপের প্রভাব
৮.৯ এই দুই মাকামের জাগরণে জাগতিক ও বাতেনী জীবনে পূর্ণ সাফল্য অর্জন
৮.১০ মোরাকাবা: নাভিমূল থেকে নূরের আভা সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়া দর্শন
উপসংহার: নফসের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আত্মশুদ্ধির পথে অগ্রগতি

অধ্যায় ৯: মাকামে অনাহত ও বিশুদ্ধ: বাতেনী জ্ঞান ও ইলহামের দরজা

ভূমিকা: কালবের গভীরের স্পন্দন এবং আসমানী ইলহাম প্রাপ্তি
৯.১ মাকামে অনাহত (হৃদয়/ক্বলব)-এর অবস্থান এবং বায়ুর উপাদানের সাথে সংযোগ
৯.২ এই মাকাম জাগ্রত হলে ভবিষ্যৎ ঘটনার গায়েবী ইশারা বা ইলহাম লাভ
৯.৩ রাবেতায়ে কালব (টেলিপ্যাথি) ও রূহানী চিকিৎসার (হিলিং) ক্ষমতা অর্জন
৯.৪ অনাহত মাকামের কোরআনী ইসমে আযম (আলিফ লা-ম মী-ম সোয়া-দ)
৯.৫ মাকামে বিশুদ্ধ (কণ্ঠনালী)-এর অবস্থান এবং আকাশ উপাদানের বাতেনী হাকিকত
৯.৬ এই মাকাম জাগ্রত হলে বাক-সিদ্ধি (মুখের কথার গায়েবী প্রভাব) লাভ
৯.৭ কোরআন ও সুন্নাহর গভীর প্রজ্ঞা এবং রূহানী সম্মোহন শক্তির উন্মেষ
৯.৮ বিশুদ্ধ মাকামের কোরআনী ইসমে আযম (হা-মী-ম আই-ন সী-ন ক্ব-ফ)
৯.৯ মোরাকাবায় ২১ বার জপের মাধ্যমে আত্মা, মন ও শরীরের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা
৯.১০ মোরাকাবা: নিজের অস্তিত্বকে আসমানী নূরের সাথে সংযুক্ত করা
উপসংহার: ইলহাম ও বাক-সিদ্ধি লাভের পর জবানকে কেবল রবের জিকিরে ব্যবহার

অধ্যায় ১০: মাকামে আজ্ঞা (তৃতীয় নেত্র): কাশফ ও গায়েবী দর্শন

ভূমিকা: সাধারণ দৃষ্টির আড়ালে বাতেনী চোখের (কাশফ) উন্মোচন
১০.১ মাকামে আজ্ঞা বা বাতেনী চোখের অবস্থান (কপালের মাঝখানে)
১০.২ এই মাকাম জাগ্রত হলে গায়েবী জগতের ইশারা ও রূহানী শক্তি লাভ
১০.৩ রবের ইচ্ছায় মহাবিশ্বের সূক্ষ্ম শক্তিগুলোকে নিজের ইবাদতে কাজে লাগানো
১০.৪ দৃষ্টিতে চরম রূহানী তীক্ষ্ণতা এবং অন্তরে অসীম মমতার সৃষ্টি
১০.৫ এই মাকামের ইসমে আযম (লা মাওজুদা ইল্লাল্লাহু) এর গভীর তাওহীদী দর্শন
১০.৬ ১২০ দিনের সাধনায় ২১ বার জপের মাধ্যমে নফসের পর্দা উন্মোচন
১০.৭ নিজে পরিশুদ্ধ হওয়ার পাশাপাশি অন্যকে আত্মশুদ্ধির পথে পরিচালনার যোগ্যতা
১০.৮ কাশফ চালু হওয়ার পর অন্যের গোপন ত্রুটি গোপন রাখার শরয়ী বিধান
১০.৯ নফসের অহংকার ধ্বংস করে কেবল আল্লাহর একত্ববাদের ঘোষণায় ডুবে যাওয়া
১০.১০ মোরাকাবা: কপালের মাঝখানে তাওহীদের নূরের প্রজ্জ্বলন দর্শন
উপসংহার: বাতেনী দৃষ্টি উন্মোচনের পর দুনিয়ার সকল চাকচিক্য তুচ্ছ মনে হওয়া

অধ্যায় ১১: মাকামে সহস্রার: ফানাফিল্লাহ ও চূড়ান্ত আত্মজাগরণ

ভূমিকা: রূহের আদি মাকামে প্রত্যাবর্তন ও রবের মাঝে বিলীন হওয়া
১১.১ মাকামে সহস্রার (মাথার উপরিভাগ)-এর বাতেনী হাকিকত ও পরম চেতনা
১১.২ এই মাকাম জাগ্রত হলে জাগতিক সকল সীমানার ঊর্ধ্বে রূহানী বিচরণ
১১.৩ হাজার পাপড়িযুক্ত পদ্মের ন্যায় অসীম নূরের তাজাল্লীর কোরআনী রূপক
১১.৪ সমস্ত রূহানী শক্তির এই কেন্দ্রে এসে মিলিত হওয়া এবং পূর্ণাঙ্গ আত্মনিয়ন্ত্রণ
১১.৫ এই মাকামের ইসমে আযম (আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লাল্লাহুয়া রাব্বুল আরশিল কারীম)
১১.৬ ২১ বার জপের মাধ্যমে মোরাকাবার চূড়ান্ত স্তরে (ফানাফিল্লাহ) পৌঁছানো
১১.৭ দশটি ইন্দ্রিয়ের ওপর নিয়ন্ত্রণ লাভ এবং হতাশা দূর করে নতুন উদ্যম সৃষ্টি
১১.৮ সূক্ষ্ম শরীরের মাধ্যমে মহাবিশ্বের রূহানী স্তরে (আলমে মেসাল) বিচরণের ক্ষমতা
১১.৯ ঐশ্বরিক অলৌকিক ক্ষমতা লাভের পরও নিজেকে রবের ক্ষুদ্র গোলাম মনে করা
১১.১০ মোরাকাবা: রবের আরশের নূরের সাথে নিজের রূহের গভীর সংযোগ স্থাপন
উপসংহার: আত্মজাগরণের সর্বোচ্চ চূড়ায় পৌঁছে কেবল রবের সন্তুষ্টি কামনা করা

অধ্যায় ১২: রূহানী শক্তির চূড়ান্ত পূর্ণতা ও বিশেষ উপহার

ভূমিকা: সকল লতিফা ও মাকাম একত্রে জাগ্রত করার আসমানী চাবিকাঠি
১২.১ সকল চক্র ও লতিফাকে একত্রে সচল করার জন্য বিশেষ রূহানী উপহার
১২.২ সর্বশ্রেষ্ঠ ইসমে আযম: ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ…’
১২.৩ ‘আল্লাহু আকবর কাবীরা’ তিনবার যুক্ত করে এই কালামের গায়েবী শক্তি বৃদ্ধি
১২.৪ ১২০ দিনের এই বিশেষ সাধনায় ১০৮ বার জপের নির্দিষ্ট নিয়ম ও পাবন্দি
১২.৫ এশার নামাজের পর জায়নামাজে বসে ৫ মিনিট গভীর মোরাকাবা সম্পন্ন করা
১২.৬ আমলের শুরুতে ও শেষে ৩ বার তাওবাহ ও ১১ বার দরুদের ধারাবাহিকতা রক্ষা
১২.৭ সুগন্ধি ও নূরের উপস্থিতিতে কালবকে সম্পূর্ণরূপে দুনিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন করা
১২.৮ চল্লিশ দিনের মাথায় আল্লাহ রব্বুল আলামীনের দয়ায় অসীম শক্তির প্রাপ্তি
১২.৯ এই চূড়ান্ত সাধনার মাধ্যমে আজীবন রূহানী মাকাম ও ফয়েজ জারি রাখা
১২.১০ মোরাকাবা: পায়ের নিচ থেকে মাথার ওপর পর্যন্ত রূহের পূর্ণাঙ্গ নূরী প্রবাহ দর্শন
উপসংহার: মেগাক্লাসের সমাপ্তি—গায়েবী রহস্য জানার পর আজীবন রবের অনুগত সাধক হওয়া

আপনি কি আপনার ব্যক্তিগত লাইব্রেরি আপডেট করতে চান?

Scroll to Top