দ্য খিজির প্রোটোকল: ইলমে লাদুন্নির সন্ধানে
কিতাবি বিদ্যার উর্ধ্বে সরাসরি আসমান থেকে জ্ঞান আহরণের এক গোপন যাত্রা। খিজির (আ.)-এর প্রাচীন আমল এবং সূরা কাহফের আধ্যাত্মিক কোড ব্যবহার করে জীবনের রুদ্ধ দুয়ার খোলার এক অনন্য অভিজ্ঞতা। আপনার ক্বলবকে করুন ঐশ্বরিক সিগন্যালের রিসিভার।
- ফরম্যাট: ভিডিও লেকচার ও প্র্যাকটিক্যাল গাইড
- লক্ষ্য: বাস্তবতাকে হ্যাক করার আধ্যাত্মিক সক্ষমতা অর্জন।
4,555.00৳
সুপার মাস্টার মেগাক্লাস “The Khidr Protocol: ইলমে লাদুন্নি ও অমরত্বের গুপ্ত সংকেত”
সিলেবাস:
বিষয়: সময় ভ্রমণ, গায়েবি সাহায্য এবং লাদুন্নি জ্ঞানের চূড়ান্ত পাঠ
অধ্যায় ১: খিজির (আ.)-এর সাথে সাক্ষাতের পরীক্ষিত সুফি আমল
(যে দেখা একবার পেলে ভাগ্য বদলে যায়—আজ সেই সাক্ষাতের প্রাচীন রাস্তা উন্মোচন)
ভূমিকা: খিজির (আ.) কি এখনো জীবিত? সুফিবাদের চূড়ান্ত সত্য প্রকাশ।
১.১ সাক্ষাতের জন্য প্রস্তুতি: দেহ ও মনের ‘ফ্রিকোয়েন্সি’ টিউন করার নিয়ম।
১.২ নদীর কিনারে ৪০ দিনের বিশেষ ‘চিল্লা’ ও খিজিরি আমল।
১.৩ ভিড়ের মাঝে খিজির (আ.)-কে চেনার শারীরিক লক্ষণ (হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলির রহস্য)।
১.৪ তাহাজ্জুদের পর যে বিশেষ দোয়া পড়লে তিনি দেখা দিতে বাধ্য হন।
১.৫ ‘মাকামে খিজির’: পৃথিবীর যেসব স্থানে তিনি নিয়মিত আসেন (মানচিত্রসহ)।
১.৬ সাক্ষাতের সময় কথা বলার আদব ও প্রশ্ন করার নিষিদ্ধ সীমানা।
১.৭ ছদ্মবেশ চেনার উপায়: তিনি ভিক্ষুক, আলেম নাকি সাধারণ বেশে আসবেন?
১.৮ মুসাফাহা (করমর্দন) করার পর হাতের তালুতে ‘নূর’ ধরে রাখার কৌশল।
১.৯ সাক্ষাতের পর পাগল হয়ে যাওয়া থেকে বাঁচার ‘মানসিক গ্রাউন্ডিং’ টেকনিক।
১.১০ প্র্যাকটিস: ‘সালাতুল খিজির’ বা সাক্ষাতের বিশেষ নফল নামাজ।
উপসংহার: দেখা পাওয়ার পর গোপনীয়তা রক্ষার ভয়াবহ শর্তাবলী।
অধ্যায় ২: ইলমে লাদুন্নি বা গায়েবি জ্ঞান অর্জনের সিক্রেট মেথড
(বই ছাড়া সরাসরি আসমান থেকে জ্ঞান ডাউনলোড করার প্রযুক্তি)
ভূমিকা: কিতাবি জ্ঞান বনাম লাদুন্নি জ্ঞান: মস্তিষ্ক বনাম ক্বলবের যুদ্ধ।
২.১ মস্তিষ্কের ‘লজিক গেট’ বন্ধ করে ক্বলবের ‘রিসিভার’ অন করার উপায়।
২.২ বিনা ওস্তাদে শেখার বিদ্যা: সরাসরি ‘লওহে মাহফুজ’ থেকে ডাটা নামানো।
২.৩ ইলমে লাদুন্নির প্রথম ধাপ: পশু-পাখি ও জড়বস্তুর ভাষা বোঝার আমল।
২.৪ খিজির (আ.)-এর শেখানো বিশেষ ‘নিঃশ্বাস-জ্ঞান’ (Breath Knowledge)।
২.৫ স্বপ্নের মাধ্যমে জটিল প্রশ্নের উত্তর পাওয়ার ‘ইস্তিখারা-এ-খিজিরি’।
২.৬ পবিত্রতা ও খাদ্যাভ্যাস: যা খেলে লাদুন্নি জ্ঞানের চ্যানেল ব্লক হয়ে যায়।
২.৭ চোখের পলকে হাজার বছরের জ্ঞান অর্জনের ‘জাম্পিং টাইম’ থিওরি।
২.৮ অন্যের মনের কথা পড়ার বা ‘কাশফ’ অর্জনের লাদুন্নি শর্টকাট।
২.৯ ভুল ইলহাম (শয়তানি) এবং সত্য ইলহাম (রাব্বানি) চেনার লিটমাস টেস্ট।
২.১০ প্র্যাকটিস: ক্বলবের আয়না পরিষ্কার করে গায়েবি ছবি দেখার মোরাকাবা।
উপসংহার: এই জ্ঞান ধারণ করার জন্য ‘লোহার কলিজা’ তৈরির প্রয়োজনীয়তা।
অধ্যায় ৩: সূরা কাহফের ৪টি ঘটনার ভেতরের আধ্যাত্মিক ডিকোডিং
(কুরআনের ভেতরে লুকানো টাইম ট্রাভেল ও ইকোনমিক্সের গোপন কোড)
ভূমিকা: সূরা কাহফ কেন দজ্জাল ও ফিতনা থেকে বাঁচায়? এর গাণিতিক ব্যাখ্যা।
৩.১ আসহাবে কাহাফ (গুহাবাসী): ৩০০ বছর সময় থামিয়ে দেওয়ার ‘টাইম ফ্রিজ’ রহস্য।
৩.২ দুই বাগানের মালিক: রুহানি ইকোনমিক্স এবং প্রাচুর্য ধ্বংসের কারণ।
৩.৩ মুসা ও খিজির: বাহ্যিক শরিয়ত বনাম বাতেনি হাকিকতের সংঘর্ষের পাঠ।
৩.৪ জুলকারনাইন: পূর্ব ও পশ্চিমের সীমানা এবং ইয়াজুজ-মাজুজের দেয়াল তৈরির টেকনোলজি।
৩.৫ খিজির (আ.) কেন নৌকা ছিদ্র করেছিলেন? বিপদে আপদ তৈরির পেছনের কল্যাণ।
৩.৬ কিশোর হত্যার রহস্য: ভবিষ্যতের বড় ফিতনা বা বিপদ আগেই নির্মূল করার শিক্ষা।
৩.৭ দেয়াল নির্মাণ: গুপ্তধন বা আমানত রক্ষা করার রুহানি ব্যাংকিং সিস্টেম।
৩.৮ ‘ইনশাআল্লাহ’ না বলার বিপদ এবং ভুলে গেলে স্মরণের টেকনিক।
৩.৯ গুহার ভেতরে সূর্যের আলো নিয়ন্ত্রণের বৈজ্ঞানিক ও রুহানি ব্যাখ্যা।
৩.১০ প্র্যাকটিস: সূরা কাহফের প্রথম ১০ আয়াতের প্রোটেকশন শিল্ড তৈরি।
উপসংহার: প্রতি শুক্রবার সূরা কাহফ পাঠের মাধ্যমে সাপ্তাহিক রিচার্জ।
অধ্যায় ৪: খিজির (আ.)-এর দোয়া এবং বিপদে ‘SOS’ সাহায্য পাওয়ার উপায়
(যখন সব দরজা বন্ধ, তখন অদৃশ্য হাত দিয়ে দরজা খোলার চাবি)
ভূমিকা: ‘গাউসুল আজম’ বা মহাউদ্ধারকারী হিসেবে খিজির (আ.)-এর ভূমিকা।
৪.১ জঙ্গলে বা সমুদ্রে পথ হারালে খিজির (আ.)-কে ডাকার বিশেষ কোড।
৪.২ ঋণ বা মামলায় আটকা পড়লে মুক্তির জন্য ‘দোয়া-এ-খিজির’ এর আমল।
৪.৩ আগুন বা পানিতে ডুবে যাওয়া থেকে বাঁচার তাৎক্ষণিক মন্ত্র।
৪.৪ চোর-ডাকাত বা শত্রুর সামনে অদৃশ্য হওয়ার (Invisibility) খিজিরি দোয়া।
৪.৫ কঠিন রোগ বা মহামারী থেকে বাঁচার জন্য তাঁর শেখানো বিশেষ ফুঁ।
৪.৬ রিজিকের তালা খোলার জন্য ‘কিমিয়া-এ-সাআদাত’ বা সৌভাগ্যের পরশপাথর।
৪.৭ নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে পাওয়ার জন্য বাতাসের মাধ্যমে সংবাদ পাঠানোর উপায়।
৪.৮ প্রতিদিন সকালে ও সন্ধ্যায় খিজির (আ.) ও ইলিয়াস (আ.)-এর নাম নেওয়ার ফজিলাত।
৪.৯ সাহায্য আসার লক্ষণ: সবুজ আলো বা সাদা পোশাকধারী ব্যক্তির উপস্থিতি।
৪.১০ প্র্যাকটিস: বিপদের মুহূর্তে ‘ইয়া গিয়াসাল মুসতাগিসিন’ এর চিৎকার ও কান্না।
উপসংহার: সাহায্য পাওয়ার পর শোকরিয়া আদায় না করার ভয়ানক পরিণতি।
অধ্যায় ৫: নবী মুসা (আ.) ও খিজির (আ.)-এর জ্ঞানের পার্থক্য
(লজিক বনাম ম্যাজিক: কেন শ্রেষ্ঠ নবী হয়েও মুসা (আ.)-কে শিখতে হলো?)
ভূমিকা: নবুয়ত এবং বেলায়েতের সীমানা এবং সংযোগস্থল।
৫.১ মুসা (আ.)-এর আপত্তি বা ‘প্রশ্ন’ বনাম খিজির (আ.)-এর ‘ধৈর্য’ বা নীরবতা।
৫.২০ বাহ্যিক বিচার (আদালত) বনাম অভ্যন্তরীণ বিচার (কুদরত) এর পার্থক্য।
৫.৩ আমাদের জীবনে ঘটে যাওয়া ‘খারাপ’ ঘটনার পেছনের ‘ভালো’ রহস্য বোঝার ক্ষমতা।
৫.৪ জ্ঞানীর ওপর জ্ঞানী আছেন: অহংকার চূর্ণ করার ঐশ্বরিক পাঠ।
৫.৫ মাছের জ্যান্ত হয়ে সাগরে ঝাঁপ দেওয়া: মৃত রুহ জ্যান্ত হওয়ার আলামত।
৫.৬ সফরে ক্লান্তি এবং ক্ষুধা: জ্ঞান অর্জনের পথে কষ্টের প্রয়োজনীয়তা।
৫.৭ কেন খিজির (আ.) মুসা (আ.)-কে সাথে নিতে চাননি? যোগ্যতার মাপকাঠি।
৫.৮ তিনটি ঘটনার (নৌকা, হত্যা, দেয়াল) আধুনিক জীবনে প্রয়োগ ও শিক্ষা।
৫.৯ শরীয়ত না মেনে তরিকত দাবি করার ভণ্ডামি ও সাবধানতা।
৫.১০ প্র্যাকটিস: নিজের জীবনের গত ১০ বছরের ‘দুর্ঘটনা’ গুলোর পজিটিভ দিক খুঁজে বের করা।
উপসংহার: আল্লাহ যাকে চান, তাকেই কেবল এই বিশেষ জ্ঞান দান করেন।
অধ্যায় ৬: আধ্যাত্মিক জগতে ‘আবে হায়াত’ বা অমরত্বের রহস্য
(যৌবন ধরে রাখা এবং দীর্ঘায়ু লাভের গোপন ঝর্ণার সন্ধান)
ভূমিকা: আবে হায়াত কি সত্যিই কোনো পানি, নাকি বিশেষ কোনো জ্ঞান?
৬.১ জুলকারনাইন এবং খিজির (আ.)-এর আবে হায়াত খোঁজার অভিযানের ইতিহাস।
৬.২ অন্ধকারের জগত (জুলুমাত) পাড়ি দিয়ে আলোর ঝর্ণায় পৌঁছানোর রূপক অর্থ।
৬.৩ আবে হায়াত পান করলে কি সত্যিই মৃত্যু হয় না? রুহানি অমরত্বের ব্যাখ্যা।
৬.৪ বার্ধক্য ঠেকিয়ে রাখা এবং চেহারার লাবণ্য ধরে রাখার সুফি আমল।
৬.৫ মৃত মাছের জীবন ফিরে পাওয়া: কীভাবে মৃত ক্বলব আবে হায়াতে জ্যান্ত হয়।
৬.৬ পানির অপর নাম জ্ঞান (ইলম): লাদুন্নি জ্ঞানই কি আসল আবে হায়াত?
৬.৭ শরীরের কোষ বা ডিএনএ (DNA) হিলিংয়ে আবে হায়াতের রুহানি প্রভাব।
৬.৮ জান্নাতি ঝর্ণা ‘কাওসার’ এবং দুনিয়ার ‘আবে হায়াত’ এর সম্পর্ক।
৬.৯ তৃষ্ণা মেটানোর সাধনা: যে পানি পান করলে আর কখনো পিপাসা লাগে না।
৬.১০ প্র্যাকটিস: ফজরের সময় এক গ্লাস পানিকে ‘আবে হায়াত’ বানিয়ে পান করার পদ্ধতি।
উপসংহার: দৈহিক অমরত্ব নয়, বরং কর্ম ও রুহের অমরত্বই আসল লক্ষ্য।
অধ্যায় ৭: দুই সাগরের মিলনস্থল: ভৌগোলিক নাকি মেটাফোর?
(মাজমা-উল-বাহরাইন: যেখানে শরীর ও আত্মা এক বিন্দুতে মিলিত হয়)
ভূমিকা: কুরআনে বর্ণিত ‘দুই সাগর’ এর ভৌগোলিক ও আধ্যাত্মিক লোকেশন।
৭.১ নোনা পানি (শরীয়ত) এবং মিষ্টি পানি (তরিকত) এর মিলনস্থল।
৭.২ মানবদেহের ভেতরে ‘দুই সাগর’: ক্বলব ও মগজের সংযোগ সেতু।
৭.৩ বারজাখ বা অন্তরাল: দুই সাগরের মাঝখানের অদৃশ্য পর্দা।
৭.৪ জিব্রাল্টার প্রণালী নাকি সিনাই উপত্যকা? ঐতিহাসিক বিতর্কের সমাধান।
৭.৫ মিলনস্থলে পৌঁছানোর লক্ষণ: যখন মাছ (নফস) হারিয়ে যায়।
৭.৬ মুর্শিদ বা গুরু এবং মুরিদের মিলনস্থলই কি মাজমা-উল-বাহরাইন?
৭.৭ জাগ্রত ও স্বপ্নের জগতের সন্ধিক্ষণ বা ‘ট্রানজিশন পয়েন্ট’।
৭.৮ এই স্থানে দোয়া কবুল হওয়ার বিশেষ সময় ও নিয়ম।
৭.৯ দুই সাগরের সঙ্গমস্থলে খিজির (আ.)-এর অবস্থান করার কারণ।
৭.১০ প্র্যাকটিস: নিজের বুকের মাঝখানে দুই সাগরের মিলন অনুভব করার ধ্যান।
উপসংহার: যতদিন না দুই সাগর এক হচ্ছে, ততদিন সাধনা চালিয়ে যাওয়ার প্রতিজ্ঞা (হুকবা)।
অধ্যায় ৮: রুহানি চোখ খোলার জন্য খিজিরি জিকির ও মোরাকাবা
(তৃতীয় নয়ন বা বাতেনি চোখ খুলে অদৃশ্য জগত দেখার লেন্স)
ভূমিকা: চর্মচক্ষু বনাম ক্বলবের চক্ষু: অন্ধকারের পর্দা সরানোর কৌশল।
৮.১ খিজির (আ.)-এর শেখানো বিশেষ ‘ইসম-ই-আজম’ এর জিকির।
৮.২ লাতাইফে সিত্তাহ (৬ লতিফা) জাগ্রত করার খিজিরি পদ্ধতি।
৮.৩ কপালে বা ভ্রু-র মাঝে ‘নূর’ অনুভব করার প্র্যাকটিক্যাল এক্সারসাইজ।
৮.৪ পর্দা সরার লক্ষণ: রঙের খেলা, আলোর ঝলকানি এবং ভবিষ্যৎ দৃশ্য।
৮.৫ জিন ও ফেরেশতাদের আকার দেখার ক্ষমতা অর্জন ও ভয় কাটানো।
৮.৬ কবর ও বরজখ জগতের দৃশ্য দেখার জন্য চোখের বিশেষ আমল।
৮.৭ আয়না মোরাকাবা: নিজের চেহারার ভেতরে অন্য সত্তাকে দেখা।
৮.৮ খিজিরি জিকিরের সুর ও ছন্দ: যা সরাসরি পাইনাল গ্ল্যান্ডে আঘাত করে।
৮.৯ দৃষ্টির হেফাজত: হারাম দৃশ্য দেখা চোখের জন্য কেন বিষ?
৮.১০ প্র্যাকটিস: অন্ধকার ঘরে মোমবাতির শিখায় ফোকাস করে চোখ খোলার সাধনা।
উপসংহার: চোখ খোলার পর যা দেখবেন, তা গোপন রাখার কঠিন শপথ।
অধ্যায় ৯: আবদাল ও আউলিয়াদের সাথে খিজির (আ.)-এর গোপন বৈঠক
(পৃথিবী পরিচালনাকারী ‘গোপন সরকার’ বা স্পিরিচুয়াল পার্লামেন্টের খবর)
ভূমিকা: গাউস, কুতুব, আবদাল, নুজাবা—রুহানি হায়ারার্কি বা পদমর্যাদা।
৯.১ প্রতি রাতে কোথায় বসে আউলিয়াদের গোপন বৈঠক বা দিওয়ান?
৯.২ ৪০ জন আবদালের পরিচয় এবং তাদের কাজ (বৃষ্টি, রিজিক, যুদ্ধ নিয়ন্ত্রণ)।
৯.৩ খিজির (আ.) কিভাবে এই বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন বা নির্দেশনা দেন।
৯.৪ আবদাল হওয়ার যোগ্যতা এবং তাদের চেনার উপায়।
৯.৫ এক মুহূর্তে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে যাওয়ার ‘তৈয়্যে আরজ’ ক্ষমতা।
৯.৬ পবিত্র কাবা শরীফে খিজির (আ.) ও আউলিয়াদের বিশেষ জমায়েত।
৯.৭ বর্তমান যুগের শ্রেষ্ঠ ওলি বা ‘কুতুবুজ জামান’ এর সাথে খিজির (আ.)-এর সম্পর্ক।
৯.৮ আমরা কি এই বৈঠকে যোগ দিতে পারি? রুহানি ভ্রমণের শর্ত।
৯.৯ আবদালদের দোয়ায় বড় বড় দুর্যোগ বা মহামারী ঠেকিয়ে দেওয়ার ঘটনা।
৯.১০ প্র্যাকটিস: আবদালদের রুহানি ফয়েজ পাওয়ার জন্য বিশেষ সালাম ও ফাতেহা।
উপসংহার: এই গোপন সরকারের অস্তিত্বে বিশ্বাস এবং তাদের প্রতি ভক্তি।
অধ্যায় ১০: খিজির (আ.) কি নবী নাকি ওলি? বিতর্কের সঠিক সমাধান
(ধর্মতাত্ত্বিক ধোঁয়াশা কাটিয়ে চূড়ান্ত সত্যে পৌঁছানো)
ভূমিকা: হাজার বছরের বিতর্ক—তিনি কি ফেরেস্তা, নবী নাকি অমর মানুষ?
১০.১ তিনি নবী হলে তাঁর শরীয়ত এবং কিতাব কী? দলিলের বিশ্লেষণ।
১০.২ ওলি হলে তিনি নবীর (মুসা আ.) চেয়ে বেশি জানতেন কিভাবে?
১০.৩ ‘ফারিস্তা’ তত্ত্বে বিশ্বাসীদের যুক্তি খণ্ডন ও মানুষের রূপ ধারণের ব্যাখ্যা।
১০.৪ হাদিসের আলোকে খিজির (আ.)-এর হায়াত ও মৃত্যু বিষয়ক ফয়সালা।
১০.৫ দজ্জালের ফিতনা এবং শেষ জামানায় খিজির (আ.)-এর ভূমিকা।
১০.৬ ইমাম মাহদী (আ.)-এর সাথে খিজির (আ.)-এর সম্পর্ক ও সাহায্য।
১০.৭ সুফিদের দৃষ্টিতে খিজির (আ.)-এর অবস্থান: নবুয়ত ও বেলায়েতের সঙ্গম।
১০.৮ তিনি কি এখনো বেঁচে আছেন? চার মাযহাবের ইমামদের মতামত।
১০.৯ বিতর্ক এড়িয়ে তাঁর জ্ঞান ও আমল থেকে ফায়দা নেওয়ার উপায়।
১০.১০ প্র্যাকটিস: বিতর্কে না জড়িয়ে তাঁর প্রতি ‘হুসনে জন্ন’ বা সুধারণা রাখা।
উপসংহার: নাম বা পদবী নয়, তাঁর কাজ বা মিশনই আসল পরিচয়।
অধ্যায় ১১: আধ্যাত্মিক গাইড বা মুর্শিদ নির্বাচনে খিজির (আ.)-এর পদ্ধতি
(ভণ্ড পীরদের ভিড়ে আসল রাহবার বা পথপ্রদর্শক চেনার স্ক্যানার)
ভূমিকা: ‘যার কোনো পীর নেই, তার পীর শয়তান’—এই কথার হাকিকত।
১১.১ খিজির (আ.) কি সবার পীর? উওয়াইসি তরিকার গোপন রহস্য।
১১.২ সশরীরে মুর্শিদ না থাকলে খিজির (আ.)-কে মুর্শিদ মানার নিয়ম।
১১.৩ কামেল মুর্শিদ চেনার ৩টি লক্ষণ যা খিজির (আ.) শিখিয়েছেন।
১১.৪ মুরিদ হওয়ার আগে মুর্শিদকে পরীক্ষা করার আদব ও কায়দা।
১১.৫ ভণ্ড পীর বা জাদুকরদের চেনার রুহানি সিগন্যাল ও সতর্কতা।
১১.৬ বাইয়াত গ্রহণ: হাতের ওপর হাত রাখা নাকি রুহের সাথে রুহ মেলানো?
১১.৭ মুর্শিদের ফয়েজ বা এনার্জি নিজের ভেতরে ট্রান্সফার করার টেকনিক।
১১.৮ ‘ফানা ফিশ শাইখ’ বা মুর্শিদের সত্তায় বিলীন হওয়ার বিপজ্জনক স্তর।
১১.৯ মুর্শিদ যখন ভুল করেন: মুসা (আ.)-এর মতো প্রতিবাদ নাকি খিজিরি নীরবতা?
১১.১০ প্র্যাকটিস: সত্যিকারের মুর্শিদ পাওয়ার জন্য আল্লাহ ও খিজির (আ.)-এর উসিলা।
উপসংহার: মুর্শিদ কেবল পথ দেখান, হাঁটতে হয় নিজেকেই।
অধ্যায় ১২: কঠিন মুহূর্তে ধৈর্য ও গায়েবি সাহায্য লাভের ‘খিজিরি’ কৌশল
(সবর-এ-জামিল: বাস্তবতা পরিবর্তন করার চূড়ান্ত মনস্তাত্ত্বিক অস্ত্র)
ভূমিকা: ধৈর্য মানে হাত গুটিয়ে বসে থাকা নয়, ধৈর্য মানে ফলাফলের অপেক্ষা করা।
১২.১ ‘তুমি আমার সাথে ধৈর্য ধরতে পারবে না’—এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার উপায়।
১২.২ তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া (Reaction) বন্ধ করে পর্যবেক্ষণ (Observation) করার শক্তি।
১২.৩ বিপদের সময় ‘খাইর’ বা কল্যাণ খুঁজে বের করার পজিটিভ মাইন্ডসেট।
১২.৪ যখন আল্লাহ নীরব থাকেন: রুহানি পরীক্ষার সময় টিকে থাকার কৌশল।
১২.৫ নৌকা ছিদ্র হওয়ার মতো ক্ষতি মেনে নেওয়া ভবিষ্যতে বড় লাভের আশায়।
১২.৬ প্রিয় জিনিস হারানোর শোককে শক্তিতে রূপান্তর করার ‘খিজিরি কনসোলেশন’।
১২.৭ দেয়াল সোজা করার মতো বিনে পয়সায় মানুষের উপকার করার প্রতিদান।
১২.৮ সবরের ৩টি স্তর: সবরে আওয়াম, সবরে খাস, সবরে খাসুল খাস।
১২.৯ গায়েবি সাহায্য আসার আগ মুহূর্তের লক্ষণ: ভোরের আগে অন্ধকার সবচেয়ে গাঢ় হয়।
১২.১০ চূড়ান্ত প্র্যাকটিস: জীবনের সবচেয়ে বড় কষ্টের মুহূর্তে ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বলার আমল।
উপসংহার: এই কোর্সের সমাপ্তি এবং আজীবন খিজিরি পথের সৈনিক হিসেবে যাত্রা শুরু।