divine-codex.com

সুপার মেগাক্লাস – আল-মালাফ আল-মাকতুম

কুরআন, সুন্নাহ ও তাসাওউফের নিগূঢ় দর্শনে সাজানো এই মেগাক্লাসটি তাকদীরের গায়বী ইশারা অনুধাবন এবং রবের সাথে চূড়ান্ত মোলাকাতের এক অনন্য আধ্যাত্মিক গাইডলাইন। শারীরিক মৃত্যুর আগেই নফসের মৃত্যু (ফানা) ঘটিয়ে সাকরাতুল মউত, আলমে বারযাখ ও শেষ পরিণতির ফয়সালা জেনে ‘হুসনে খাতিমাহ’ (সুন্দর মৃত্যু) অর্জনের বাতেনী বিদ্যা এখানে ধাপে ধাপে শেখানো হয়েছে। এটি কেবল মৃত্যুভয় জয়ের সাধনা নয়, বরং নিজের অস্তিত্বকে রবের নূরে বিলীন করার এক অনন্ত রূহানী সফর।

    • ​কোর্সের লক্ষ্য: শারীরিক মৃত্যুর আগেই নফসের পরিশুদ্ধি ঘটিয়ে মৃত্যুভয় জয় করা এবং রবের ফয়সালার প্রতি পূর্ণ সমর্পণের মাধ্যমে হুসনে খাতিমাহ ও ফানাফিল্লাহর চূড়ান্ত মাকাম অর্জন করা।

3,555.00৳ 

অধ্যায় ১: আল-মালাফ আল-মাকতুম ও তাকদীরের আসমানী হাকিকত

ভূমিকা: সংরক্ষিত গুপ্ত নথির বাতেনী পরিচয় ও রবের ফয়সালা
১.১ আল-মালাফ আল-মাকতুম-এর কোরআনী ও তাসাওউফী ভিত্তি
১.২ লাওহে মাহফুজে সংরক্ষিত মানুষের হায়াত ও মউতের গায়েবী লিখন
১.৩ গায়েবের জ্ঞান কেবল আল্লাহর—এই তাওহীদী দর্শনের ওপর পূর্ণ একীন
১.৪ মুরাকাবার মাধ্যমে তাকদীরের ইতিবাচক ও নেতিবাচক ইশারা অনুধাবন
১.৫ তাকদীরে মু’আল্লাক (পরিবর্তনশীল ভাগ্য) ও মুবরাম (অপরিবর্তনীয় ফয়সালা) এর হাকিকত
১.৬ ইস্তিগফার, সদকা ও দোয়ার মাধ্যমে তাকদীরের আসমানী রহমত আকর্ষণ
১.৭ হায়াত-মউতের ফয়সালা জানার কৌতূহলের বদলে রবের সন্তুষ্টি অর্জনের সাধনা
১.৮ জীবনের প্রতিটি নিঃশ্বাসকে রবের দেওয়া আমানত হিসেবে গ্রহণ করা
১.৯ তাকদীরের ফয়সালার প্রতি পূর্ণ সন্তুষ্টি (রিযা বিল কাযা) অর্জন
১.১০ মোরাকাবা: আসমানী গুপ্ত নথির নূরী স্পন্দনের সাথে ক্বলবের সংযোগ
উপসংহার: রবের ফয়সালার ওপর পূর্ণ তাওয়াক্কুল ও আত্মসমর্পণ

অধ্যায় ২: হায়াত ও মউতের গায়েবী সীমানা এবং রূহানী প্রস্তুতি

ভূমিকা: দুনিয়ার ক্ষণস্থায়ী জীবন এবং অনন্তকালের সফরের সূচনা
২.১ হায়াত ও মউতের মধ্যবর্তী অদৃশ্য পর্দা (হিজাব) উন্মোচনের বাতেনী বিজ্ঞান
২.২ মৃত্যুর অমোঘ বাস্তবতা এবং নফসকে দুনিয়ার মোহ থেকে বিচ্ছিন্ন করা
২.৩ নিজের ভেতরেই নিজের মৃত্যুর আসমানী ইশারাগুলো চিনে নেওয়ার তরিকা
২.৪ নির্দিষ্ট কোরআনী আয়াত ও যিকিরের মাধ্যমে মৃত্যুভয় চিরতরে জয় করা
২.৫ হায়াতের শেষ সীমানার গায়েবী ইঙ্গিত পেলে আখেরাতের পূর্ণ প্রস্তুতি গ্রহণ
২.৬ দুনিয়াবী সকল ঋণ ও বান্দার হক (হুকুকুল ইবাদ) দ্রুত আদায় করার তাগিদ
২.৭ প্রিয়জনদের প্রতি আসক্তি কমিয়ে রবের মহব্বত ক্বলবে প্রবল করা
২.৮ জীবনের প্রতিটি দিনকে দুনিয়ার শেষ দিন মনে করে ইবাদতে মশগুল থাকা
২.৯ রূহের সাথে আলমে আরওয়াহর (আদি জগতের) সংযোগ পুনরায় স্থাপন
২.১০ মোরাকাবা: নিজের ক্বলবে হায়াতের ঘড়ির শেষ স্পন্দন অনুধাবন
উপসংহার: মৃত্যুকে শেষ নয়, বরং রবের সাথে মিলনের প্রথম সিঁড়ি হিসেবে দেখা

অধ্যায় ৩: সাকরাতুল মউত ও নফসের চূড়ান্ত রূহানী পরীক্ষা

ভূমিকা: মৃত্যুযন্ত্রণা ও রূহ বের হওয়ার গায়েবী অবস্থার হাকিকত
৩.১ সাকরাতুল মউতের (মৃত্যুযন্ত্রণা) বাতেনী স্তর ও রূহের অবস্থা
৩.২ রূহ যখন শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়, তখনকার আসমানী ও জাগতিক অনুভূতি
৩.৩ সাকরাতুল মউতের সময় শয়তানের ভয়ংকর ওয়াসওয়াসা ও ধোঁকা
৩.৪ তৃষ্ণা ও কষ্টের মুহূর্তে ঈমান হরণের শয়তানী ষড়যন্ত্র থেকে হেফাজত
৩.৫ “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” কালিমার নূরী তাজাল্লী দিয়ে শয়তানকে বিতাড়ন
৩.৬ মৃত্যুযন্ত্রণা সহজ করার জন্য নির্দিষ্ট আসমানী ইসমে আযমের জিকির
৩.৭ মৃত্যুর সময় ফেরেশতাদের নূরী উপস্থিতি ও সালামের সুসংবাদ লাভ
৩.৮ নফসে মুতমাইন্নাহ (প্রশান্ত আত্মা)-এর ন্যায় রবের ডাকে সাড়া দেওয়ার প্রস্তুতি
৩.৯ মৃত্যুর কষ্টকে গুনাহ মাফের উসিলা হিসেবে গ্রহণ করার রূহানী হিম্মত
৩.১০ মোরাকাবা: সাকরাতুল মউতের সময় রবের রহমতের ছায়া দর্শন
উপসংহার: ঈমানের সাথে রবের দরবারে হাজির হওয়ার জন্য ইস্তিকামাত

অধ্যায় ৪: আলমে বারযাখ ও বারোটি রূহানী দরজার উন্মোচন

ভূমিকা: দুনিয়া ও আখেরাতের মধ্যবর্তী জগত এবং গায়েবী ১২ দরজা
৪.১ আলমে বারযাখের (কবরের জগত) শরয়ী ও তাসাওউফী পরিচয়
৪.২ দুনিয়ার আমল অনুযায়ী বারযাখে রূহের অবস্থান ও মাকাম নির্ধারণ
৪.৩ আলমে বারযাখে প্রবেশের বারোটি (১২) রূহানী দরজার বাতেনী হাকিকত
৪.৪ মুরাকাবার গভীরে এই ১২টি দরজার গায়েবী ঝলক ও ইশারা দর্শন
৪.৫ প্রতিটি দরজার পেছনে লুকিয়ে থাকা নূরী ও জালালী ফেরেশতাদের পরিচয়
৪.৬ প্রথম থেকে ষষ্ঠ দরজা: নফসের পরিশুদ্ধি ও দুনিয়াবী হিসাব নিকাশ
৪.৭ সপ্তম থেকে দ্বাদশ দরজা: রবের নৈকট্য ও আলমে আরওয়াহর সংযোগ
৪.৮ এই দরজাগুলো উন্মোচনের জন্য ৪০ দিনের বিশেষ রিয়াজত ও সাধনা
৪.৯ দরজার ওপার থেকে ভেসে আসা গায়েবী আওয়াজ (ইলহাম) অনুধাবন
৪.১০ মোরাকাবা: বারোটি নূরী দরজার ভেতর দিয়ে নিজের রূহের বিচরণ দর্শন
উপসংহার: বারযাখের জীবনকে শান্তিময় করতে দুনিয়াতেই রূহকে পবিত্র করা

অধ্যায় ৫: কাশফুল কুবুর: কবরের জগতের বাতেনী দর্শন

ভূমিকা: সাধারণ দৃষ্টির আড়ালে থাকা কবরের গায়েবী জগত উন্মোচন
৫.১ কাশফুল কুবুর (কবর দর্শনের অন্তর্দৃষ্টি)-এর শরয়ী ও আধ্যাত্মিক ভিত্তি
৫.২ মুরাকাবার মাধ্যমে নিজের কবরের স্থান ও গায়েবী অবস্থা অনুধাবন
৫.৩ মুনকার ও নাকির ফেরেশতার রূহানী প্রশ্নোত্তরের বাতেনী প্রস্তুতি
৫.৪ কবরের আজাব ও অন্ধকার থেকে বাঁচতে কোরআনের নূরী সুরক্ষাবলয়
৫.৫ সূরা মুলক-এর তাজাল্লীর মাধ্যমে কবরকে জান্নাতের বাগানে পরিণত করা
৫.৬ কবরে রূহের সাথে নেক আমলগুলোর নূরী সাথী হিসেবে রূপ নেওয়ার দর্শন
৫.৭ কবরবাসীর রূহানী অবস্থা বাতেনীভাবে অনুধাবন করে তাদের জন্য দোয়া করা
৫.৮ এই গায়েবী বিদ্যাকে নফসের অহংকার থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত রাখা
৫.৯ অন্যের কবরের অবস্থা জানার পর তা গোপন রাখার কঠোর আমানতদারি
৫.১০ মোরাকাবা: নিজের কবরকে রবের নূরে আলোকিত ও প্রশস্ত দর্শন
উপসংহার: মাটির ঘরে অনন্তকালের শান্তির জন্য আজই রবের দিকে ফিরে আসা

অধ্যায় ৬: জীবনের শেষ পৃষ্ঠার দর্শন (তাকদীরের গায়েবী ইশারা)

ভূমিকা: নিজের আমলনামার শেষ পরিণতির বাতেনী ঝলক দেখা
৬.১ জীবনের ‘শেষ পৃষ্ঠা’ বা চূড়ান্ত পরিণতির রূহানী হাকিকত অনুধাবন
৬.২ মুরাকাবার সর্বোচ্চ স্তরে নিজের আমলনামার গায়েবী ইশারা লাভ
৬.৩ স্বপ্নে বা কাশফে আলোর অক্ষরে ‘জান্নাত’ বা রহমতের সুসংবাদ দর্শন
৬.৪ গায়েবীভাবে ‘জাহান্নাম’ বা ভয়ের শব্দ শুনলে দ্রুত তাওবাহ ও ইস্তিগফার
৬.৫ শেষ পৃষ্ঠার ইশারা জানার পর দুনিয়ার সকল মোহ ও আনন্দ তুচ্ছ হয়ে যাওয়া
৬.৬ এই অভিজ্ঞতা কীভাবে একজন সাধককে রবের একনিষ্ঠ গোলামে পরিণত করে
৬.৭ নিজের পরিণতির ইশারা দেখে অন্যের হেদায়েতের জন্য ব্যাকুল হওয়া
৬.৮ এই বাতেনী দর্শনকে শিরক বা ভবিষ্যৎ গণনার বিদ্যা থেকে পবিত্র রাখা
৬.৯ রবের রহমতের ওপর ভরসা রেখে খারাপ তাকদীর পরিবর্তনের ফরিয়াদ
৬.১০ মোরাকাবা: আসমানী কিতাবে নিজের নামের পাশে রবের নূরের ঝলক দর্শন
উপসংহার: শেষ পরিণতির ফয়সালা রবের হাতে—এই বিশ্বাসে ইবাদত বৃদ্ধি করা

অধ্যায় ৭: মালাকুল মউত (মৃত্যুর ফেরেশতা)-এর সাথে রূহানী সংযোগ

ভূমিকা: আজরাইল (আ.)-এর নূরী উপস্থিতি ও রূহ কবজের দর্শন
৭.১ মালাকুল মউত-এর আসমানী ডিউটি ও গায়েবী ক্ষমতার পরিচয়
৭.২ মুমিন বান্দার কাছে মৃত্যুর ফেরেশতার রহমতের বেশে আগমনের হাকিকত
৭.৩ নির্দিষ্ট কোরআনী আয়াত জপের মাধ্যমে মালাকুল মউতের সাথে রূহানী সখ্যতা
৭.৪ মুরাকাবার গভীরে মৃত্যুর ফেরেশতার নূরী উপস্থিতি বা ছায়া অনুভব করা
৭.৫ মৃত্যুর সময় রূহকে সহজে সমর্পণ করার জন্য ক্বলবকে আগে থেকেই প্রস্তুত করা
৭.৬ মালাকুল মউতের দর্শন পেলে ভয় না পেয়ে রবের সালাম প্রেরণ করা
৭.৭ রূহ কবজ করার মুহূর্তটিকে রবের সাথে মিলনের মধুর ক্ষণ হিসেবে ভাবা
৭.৮ মৃত্যুভয় জয় করে মালাকুল মউতকে রবের পক্ষ থেকে আসা মেহমান মনে করা
৭.৯ পাপীদের কাছে মালাকুল মউতের জালালী রূপের হাকিকত অনুধাবন করে কাঁদা
৭.১০ মোরাকাবা: মালাকুল মউতের নূরী হাতের স্পর্শে রূহের প্রশান্তি দর্শন
উপসংহার: মৃত্যুর ফেরেশতার আগমনের আগেই নিজের সকল হিসাব পরিষ্কার করা

অধ্যায় ৮: হুসনে খাতিমাহ (সুন্দর মৃত্যু) লাভের আসমানী রিয়াজত

ভূমিকা: ঈমানের সাথে রবের দরবারে হাজির হওয়ার কোরআনী আমল
৮.১ হুসনে খাতিমাহ বা সুন্দর মৃত্যুর শরয়ী পরিচয় ও এর গুরুত্ব
৮.২ শেষ নিশ্বাসে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ নসিব হওয়ার বাতেনী চাবিকাঠি
৮.৩ ক্বলবকে দুনিয়ার মহব্বত থেকে মুক্ত করে কেবল রবের মহব্বতে পূর্ণ করা
৮.৪ প্রতিদিন রাতে মৃত্যুর মোরাকাবা করে ঘুমানোর সুন্নতী ও রূহানী আমল
৮.৫ আসমানী ইসমে আযমের মাধ্যমে নিজের ঈমানকে শয়তানের হাত থেকে লক করা
৮.৬ শহীদদের ন্যায় মৃত্যু লাভের জন্য রবের কাছে গোপন রূহানী আরজি পেশ
৮.৭ এমন অবস্থায় মৃত্যুর দোয়া করা যখন রবের ইবাদতে বা সিজদায় রত থাকা যায়
৮.৮ হালাল রিযিক ও পবিত্র জবান বজায় রাখা—যাতে শেষ কথা কালিমা হয়
৮.৯ পরিবার ও পরিজনকে হুসনে খাতিমাহর গুরুত্ব সম্পর্কে নসীহত করা
৮.১০ মোরাকাবা: মুখে কালিমার নূর নিয়ে হাসিমুখে রবের পানে ছুটে চলার দর্শন
উপসংহার: সুন্দর জীবনই সুন্দর মৃত্যুর পূর্বশর্ত—এই তাসাওউফী দর্শন অর্জন

অধ্যায় ৯: আলমে গায়েব থেকে আগত রূহানী সতর্কবার্তা ও ইলহাম

ভূমিকা: মৃত্যুর আগে রবের পক্ষ থেকে আসা গায়েবী অ্যালার্ম বা সতর্কবার্তা
৯.১ মৃত্যুর ৪০ দিন আগে আলমে গায়েব থেকে আসা প্রথম রূহানী ইশারা
৯.২ ক্বলবের গভীরে হঠাৎ অজানা উদাসীনতা ও দুনিয়া ছাড়ার ব্যাকুলতা
৯.৩ স্বপ্নে মৃত আত্মীয়-স্বজন বা নেককার আউলিয়াদের সাথে রূহানী মোলাকাত
৯.৪ শরীরে ও মনে এমন পরিবর্তন আসা যা সাধারণ ডাক্তারি বিদ্যায় ধরা পড়ে না
৯.৫ এই গায়েবী সতর্কবার্তাগুলো বুঝতে পেরে তওবাহর দরজা দ্রুত লুফে নেওয়া
৯.৬ দুনিয়াবী সম্পত্তি ও উত্তরাধিকারের বিষয়ে শরয়ী ও রূহানী ফয়সালা সম্পন্ন করা
৯.৭ বেশি বেশি নির্জনতা (খালওয়াত) পছন্দ করা এবং রবের সাথে কথা বলা
৯.৮ রূহানী সতর্কবার্তাকে ভয় না পেয়ে রবের বিশেষ মেহেরবানি হিসেবে গ্রহণ
৯.৯ নিজের জানাজা, গোসল ও কাফনের বিষয়ে বাতেনীভাবে মানসিক প্রস্তুতি
৯.১০ মোরাকাবা: আলমে গায়েব থেকে আসা নূরী ফ্লাশে নিজের বিদায়ের ক্ষণ দর্শন
উপসংহার: সতর্কবার্তা পাওয়ার পর প্রতিটি মুহূর্তকে ইবাদতের মহা সুযোগ মনে করা

অধ্যায় ১০: রূহানী মোশাহেদায় জান্নাত ও জাহান্নামের তাজাল্লী

ভূমিকা: আখেরাতের অনন্ত জীবনের গায়েবী দৃশ্য ক্বলবের আয়নায় দর্শন
১০.১ জান্নাতের রহমত ও জাহান্নামের আজাবের কোরআনী ও বাতেনী হাকিকত
১০.২ মুরাকাবার গভীরে জান্নাতের সুবাস ও সাকিনাহ (প্রশান্তি) অনুভব করা
১০.৩ ক্বলবের বাতেনী চোখে জান্নাতের নূরী দরজা ও হুর-গিলমানদের ঝলক
১০.৪ জাহান্নামের ভয়াবহতা ও আগুনের জালালী তাজাল্লী বাতেনীভাবে অনুভব
১০.৫ এই গায়েবী দর্শন কীভাবে একজন সাধকের নফসকে চিরতরে দগ্ধ করে দেয়
১০.৬ জাহান্নামের ভয়াবহতা দেখার পর চোখের পানি দিয়ে ক্বলবের জং পরিষ্কার করা
১০.৭ জান্নাতের আশায় ইবাদত না করে কেবল রবের দিদার লাভের আশায় ইবাদত করা
১০.৮ এই রূহানী মোশাহেদার কথা মানুষের কাছে প্রকাশ না করে আমানতদারি রক্ষা
১০.৯ শরীয়তের সীমানায় থেকে এই দর্শনকে ইবাদতের প্রেরণা হিসেবে গ্রহণ করা
১০.১০ মোরাকাবা: পুলসিরাত পার হয়ে রবের জান্নাতের নূরে প্রবেশের দর্শন
উপসংহার: জান্নাত-জাহান্নাম রবের সৃষ্টি, কিন্তু প্রকৃত চাওয়া কেবল রবের সন্তুষ্টি

অধ্যায় ১১: নফসের মৃত্যু ও কালবের চিরস্থায়ী জিন্দা হওয়া

ভূমিকা: শারীরিক মৃত্যুর আগেই ‘মুতু কাবলা আন তামুতু’ এর সাধনা
১১.১ শারীরিক মৃত্যুর আগেই নফসের মৃত্যু ঘটানোর তাসাওউফী দর্শন
১১.২ নিজের আমিত্ব, অহংকার, লোভ ও হিংসাকে স্বেচ্ছায় রূহানীভাবে কবর দেওয়া
১১.৩ দুনিয়ার মোহ থেকে এমনভাবে মুক্ত হওয়া যেন জীবন্ত একজন লাশ
১১.৪ নফস যখন মরে যায়, তখন ক্বলব রবের নূরে চিরস্থায়ীভাবে জিন্দা হয়ে ওঠে
১১.৫ জিন্দা ক্বলব কীভাবে আলমে আরওয়াহ ও আলমে বারযাখের সাথে যোগাযোগ রাখে
১১.৬ এই মাকামে পৌঁছালে মানুষের জাগতিক কোনো গালি বা প্রশংসা প্রভাব ফেলে না
১১.৭ শারীরিক মৃত্যু তখন কেবল এক জগত থেকে অন্য জগতে যাওয়ার মাধ্যম মনে হয়
১১.৮ “ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন” এর বাতেনী স্বাদ অনুধাবন
১১.৯ মৃত্যুর পর আউলিয়া কেরামের ন্যায় রূহানীভাবে সজাগ থাকার আসমানী বিদ্যা
১১.১০ মোরাকাবা: নিজের নফসের জানাজা পড়ে ক্বলবকে রবের আরশে সমর্পণ করা
উপসংহার: যে নফসের মৃত্যু আগে ঘটাতে পারে, তার জন্য আসল মৃত্যু আনন্দময়

অধ্যায় ১২: ফানাফিল্লাহ ও রবের দিদারের চূড়ান্ত মোলাকাত

ভূমিকা: আল-মালাফ আল-মাকতুম এর সর্বশেষ অধ্যায় ও অনন্ত মিলন
১২.১ মৃত্যুর পর রূহের আসল ঠিকানা ও রবের সাথে দিদার (সাক্ষাৎ) লাভের হাকিকত
১২.২ আল-মালাফ আল-মাকতুম বা সংরক্ষিত নথির চূড়ান্ত রহস্যের উন্মোচন
১২.৩ ফানাফিল্লাহ: নিজের ইচ্ছাকে রবের ফয়সালার মাঝে সম্পূর্ণ বিলীন করে দেওয়া
১২.৪ কবরের হিসাব নিকাশ পেরিয়ে ইল্লিয়্যিন (মুমিনদের রূহের স্থান)-এ বিচরণ
১২.৫ রবের নূরের তাজাল্লী দর্শন করে রূহের অনন্তকালের প্রশান্তি লাভ
১২.৬ মৃত্যুর রক্তাক্ষর থেকে শুরু করে রবের নূরী দরবারে পৌঁছানোর সফল যাত্রা
১২.৭ সমস্ত গায়েবী ফয়েজ ও বিদ্যা পাওয়ার পরও নিজেকে সবচেয়ে নিঃস্ব মনে করা
১২.৮ দুনিয়ার জীবনের এই শেষ পৃষ্ঠার বিদ্যাকে কেবল আত্মশুদ্ধির কাজে লাগানো
১২.৯ আজীবন ঈমানের ওপর ইস্তিকামাত থেকে হাসিমুখে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করার আরজি
১২.১০ চূড়ান্ত মোরাকাবা: জীবনের সব হিসাব চুকিয়ে রবের নূরের সাগরে চিরতরে হারিয়ে যাওয়া
উপসংহার: মেগাক্লাসের সমাপ্তি—মৃত্যুভয় জয় করে রবের একনিষ্ঠ প্রেমিক হিসেবে বিদায় নেওয়া

আপনি কি আপনার ব্যক্তিগত লাইব্রেরি আপডেট করতে চান?

Scroll to Top