সুপার মেগাক্লাস- রুহের ভ্রমণ
কুরআন, সুন্নাহ ও তাসাওউফের নিগূঢ় দর্শনের আলোকে সাজানো এই মেগাক্লাসটি নফসের খাঁচা পেরিয়ে রূহানী জগতের অনন্ত সফরের এক পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন। মুরাকাবা, কাশফ এবং লতিফা জাগরণের মাধ্যমে আলমে মালাকুত, আরশ এবং সৃষ্টির বিভিন্ন গায়েবী ডাইমেনশনে আত্মার বিচরণ পদ্ধতি এখানে ধাপে ধাপে শেখানো হয়েছে। এটি কেবল একটি কোর্স নয়, বরং নিজের আদি ফিতরাত চিনে রবের সাথে গভীর সংযোগ স্থাপনের এক চিরস্থায়ী আধ্যাত্মিক যাত্রা।
-
- কোর্সের লক্ষ্য: নফসকে পরিশুদ্ধ করে রূহানী দৃষ্টি উন্মোচনের মাধ্যমে সৃষ্টির অদৃশ্য রহস্য ভেদ করা এবং মহান রবের সাথে আত্মার সরাসরি সংযোগ স্থাপন।
3,777.00৳
অধ্যায় ১: মুরাকাবায়ে খফী: রূহানী সফর ও নফসের খাঁচা থেকে আত্মার সাময়িক মুক্তি
১.১ রূহানী সফরের হাকিকত ও দেহ থেকে রূহের স্বাধীন হওয়ার আধ্যাত্মিক দর্শন
১.২ চন্দ্রমাসের সূচনালগ্নে ৪১ দিনের বিশেষ মুরাকাবার শর্তাবলি ও সময় নির্ধারণ
১.৩ নফস দমনের জন্য আমিষ বর্জন ও হালাল খাদ্যাভ্যাসের শরয়ী বিধান
১.৪ সৃষ্টির সেবায় পশু-পাখিকে আহার প্রদান ও রূহানী ইবাদতে একাগ্রতা
১.৫ খালিস তাওবা, দুরুদে ইবরাহীম ও সুগন্ধি (আগরবাতি) ব্যবহারের রূহানী আদব
১.৬ সূরা আর-রহমান ৭ বার জপের মাধ্যমে কালবে নূরের তাজাল্লী সৃষ্টি
১.৭ নির্দিষ্ট সময় ও স্থানের পাবন্দি এবং জিকিরের সংখ্যায় একনিষ্ঠতার গায়েবী প্রভাব
১.৮ চল্লিশ দিনের সাধনা শেষে আল্লাহ প্রদত্ত ‘ইলমে লাদুনী’ ও ইলহামের দর্শন
১.৯ দেহ ও আত্মার সাময়িক বিচ্ছেদ এবং রূহানী বিচরণ ক্ষমতা অর্জন
১.১০ অর্জিত রূহানী শক্তির গোপনীয়তা রক্ষা এবং আমানতদারির কঠোর বিধান
অধ্যায় ২: আলমে মালাকুত: ফেরেশতাদের নূরী জগতে রূহের আসমানী সফর
২.১ আলমে মালাকুত বা ফেরেশতাদের পবিত্র জগতের রূহানী পরিচয়
২.২ ফেরেশতাদের জগতে প্রবেশের জন্য রূহকে নূরী স্তরে উন্নীত করার প্রস্তুতি
২.৩ নফসের অন্ধকার দূর করে রূহের দৃষ্টিকে আসমানমুখী করার পদ্ধতি
২.৪ ইসমে আযম “ইয়া আলিমু, ইয়া রাহমানু, ইয়া আলিয়্যু, ইয়া রাহিম” এর তাজাল্লী
২.৫ পবিত্র বিছানায় জায়নামাজ বিছিয়ে ঘুমের পূর্বে গভীর মুরাকাবার আদব
২.৬ জিকিরের ঘোরে তন্দ্রাচ্ছন্ন হওয়া এবং রূহের আসমানী সফরের সূচনা
২.৭ ৪১ দিনের নিরবচ্ছিন্ন সাধনায় ফেরেশতাদের সাথে রূহানী সংযোগ স্থাপন
২.৮ স্বপ্নে রাহে তাইয়্যেবে (পবিত্র পথে) গমন করার অলৌকিক শক্তির প্রকাশ
২.৯ রূহানী সফরের মাধ্যমে ফেরেশতাদের জগত থেকে আসমানী হিকমত লাভ
২.১০ এই গায়েবী সফরের ক্ষমতা আজীবন ধরে রাখার জন্য শরীয়তের পাবন্দি
অধ্যায় ৩: আসরারে আরশ: আরশে আজীমের পথে রূহের মহাযাত্রা ও যিকিরে খফী
৩.১ আরশে আজীমের পবিত্রতা এবং সেখানে রূহের ভ্রমণের আধ্যাত্মিক তাৎপর্য
৩.২ হযরত আলী (রা:) ও হযরত আবু বকর (রা:)-এর গুপ্ত জিকিরের হাকিকত
৩.৩ আরশের পথে রূহানী সফরের জন্য কালবকে সম্পূর্ণ দুনিয়ামুক্ত করার তরিকা
৩.৪ তাওবা ও দুরুদের মাধ্যমে রূহকে আরশের তাজাল্লী ধারণের উপযোগী করণ
৩.৫ “আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়া রাব্বুল আরশিল আজীম…” জপের রূহানী শক্তি
৩.৬ চোখ বন্ধ করে ১০০০ বার এই ইসমে আযম জপের মাধ্যমে নূরী স্পন্দন সৃষ্টি
৩.৭ জিকিরের সময় নির্দিষ্ট স্থানে একনিষ্ঠতা এবং রূহানী দরজা উন্মোচনের অপেক্ষা
৩.৮ ৪১ দিনের মাথায় আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের পক্ষ থেকে আরশ দর্শনের ইশারা লাভ
৩.৯ রূহানীভাবে আরশে আজীমের সীমানায় প্রবেশ এবং পরম প্রশান্তি অনুভব
৩.১০ এই সর্বোচ্চ স্তরের রূহানী সফরের ক্ষমতা প্রাপ্তির পর বিনয় ও গোপনীয়তা রক্ষা
অধ্যায় ৪: আলমে আরওয়াহর আদি স্মৃতি: রূহের পূর্ববর্তী অবস্থার নূরী দর্শন
৪.১ দুনিয়ায় আসার পূর্বে আলমে আরওয়াহতে রূহের আদি অবস্থান ও ফিতরাত
৪.২ রূহুল্লাহ অংশের গুপ্ত রহস্য এবং রূহের প্রাচীন স্মৃতি (পূর্ব জন্ম) অনুধাবন
৪.৩ নিজের রূহের আসমানী ইতিহাস ও সৃষ্টির সূচনালগ্নের জ্ঞান লাভের আকাঙ্ক্ষা
৪.৪ “ইয়া আলীমু আল্লিমনী ইয়া খবীরু আখবিরনী…” ইসমে আযমের গায়েবী প্রভাব
৪.৫ ১০০০ বার জপের মাধ্যমে দুনিয়া ও আখিরাতের লুকায়িত রহস্যের দরজা উন্মোচন
৪.৬ গভীর মুরাকাবায় নিজের রূহের পূর্ববর্তী মাকাম ও দায়িত্ব সম্পর্কে ইলহাম লাভ
৪.৭ রূহের আদি স্মৃতি জাগ্রত হওয়ার পর সাধকের দুনিয়াবী দৃষ্টিকোণে পরিবর্তন
৪.৮ অন্যের রূহের আদি ফিতরাত ও ইতিহাস জানার রূহানী ক্ষমতা অর্জন
৪.৯ এই গায়েবী ইলম লাভের পর নফসের অহংকার থেকে আত্মরক্ষার উপায়
৪.১০ রূহের আদি ইতিহাস জেনে আল্লাহর ফয়সালার প্রতি পূর্ণ সমর্পণ
অধ্যায় ৫: কাশফ ও বাতেনী দৃষ্টি: মুরাকাবার মাধ্যমে রূহানী চোখ উন্মোচন
৫.১ কালবের বাতেনী চোখ (কাশফ/পিনিয়াল গ্ল্যান্ড) এবং এর আধ্যাত্মিক ক্ষমতা
৫.২ সাধারণ দৃষ্টির আড়ালে গায়েবী জগত দেখার জন্য নফসের পর্দা উন্মোচন
৫.৩ মুরাকাবায়ে ত্রাটক: মোমবাতির নীল শিখার দিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ করার রূহানী দর্শন
৫.৪ চোখের পলক না ফেলে ৬০ মিনিট পর্যন্ত দৃষ্টি স্থির রাখার কঠোর অনুশীলন
৫.৫ দৃষ্টি স্থির রেখে হালকা স্বরে কালেমা তিয়্যিবাহর জিকির এবং শ্রবণ সংযোগ
৫.৬ নূরের শিখায় দৃষ্টি নিবদ্ধ করার ফলে কালবে গায়েবী আলোর প্রতিচ্ছবি সৃষ্টি
৫.৭ ৪১ দিনের সাধনায় বাতেনী দৃষ্টি বা কাশফের দরজা সম্পূর্ণ উন্মুক্ত হওয়া
৫.৮ কাশফ চালু হওয়ার পর অদৃশ্য জগত ও রূহানী শক্তির দর্শন লাভ
৫.৯ বাতেনী চোখের মাধ্যমে মানুষের কালবের অবস্থা ও রূহানী ব্যাধি নির্ণয়
৫.১০ কাশফের এই মহাসম্পদ কেবল দ্বীনের খেদমতে ব্যবহারের জন্য কসম গ্রহণ
অধ্যায় ৬: রাব্বুল আলামীন ও সৃষ্টিজগত: বিভিন্ন আসমানী স্তরে রূহের বিচরণ
৬.১ ‘আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামীন’-এর হাকিকত ও অগণিত সৃষ্টিজগতের ধারণা
৬.২ চেনা পৃথিবীর বাইরে অন্যান্য গায়েবী জগত (মাল্টিভার্স)-এ রূহের সফরের ইচ্ছা
৬.৩ সৃষ্টির বৈচিত্র্য দর্শনের জন্য রূহকে দুনিয়াবী সীমানা থেকে মুক্ত করার মুরাকাবা
৬.৪ “বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম বিহাক্কে আলহামদুলিল্লাহি…” কালামের রূহানী শক্তি
৬.৫ ১০০০ বার এই কালাম জপের মাধ্যমে বিভিন্ন জগতের গায়েবী দরজা উন্মোচন
৬.৬ রূহানী সফরে সৃষ্টির অন্যান্য স্তরে বিচরণ এবং আল্লাহর কুদরতের দর্শন
৬.৭ বিভিন্ন আলামীনের নূরী মাখলুকাত ও তাদের ইবাদতের পদ্ধতি অবলোকন
৬.৮ এই সফরের মাধ্যমে সাধকের অন্তরে আল্লাহর বিশালত্ব ও মহত্ত্বের ইয়াকিন বৃদ্ধি
৬.৯ একাধিক জগতে রূহানী বিচরণের সময় নিজের আদি অস্তিত্বের ভারসাম্য রক্ষা
৬.১০ মহাবিশ্বের অনন্ত রহস্য দর্শনের পর রবের দরবারে সিজদাবনত হওয়া
অধ্যায় ৭: রূহের অতীত সফর: সময়ের পর্দা উন্মোচন ও আদি ফিতরাতের সন্ধান
৭.১ সময়ের প্রকৃত হাকিকত এবং রূহানী জগতে অতীত ও বর্তমানের ভেদ বিলুপ্তি
৭.২ রূহের অতীত সফর (টাইম ট্রাভেল): অতীতের গায়েবী ঘটনাগুলোর চাক্ষুষ দর্শন
৭.৩ অতীত যুগের নবী-রাসূল ও আউলিয়া কেরামের রূহানী ফয়েজ লাভের আকাঙ্ক্ষা
৭.৪ “ইয়া আলীমু আল্লিমনী…” ইসমে আযমের মাধ্যমে সময়ের পর্দা সরানোর আমল
৭.৫ মুরাকাবায়ে যামান: ১০০০ বার জপের মাধ্যমে অতীতের নূরী তরঙ্গে প্রবেশ
৭.৬ নিজের বা অন্যের রূহের অতীত জীবনের (পাস্ট লাইফ) আমল ও মাকাম দর্শন
৭.৭ অতীত সফরের মাধ্যমে রূহের বর্তমান ব্যাধি ও সমস্যার মূল কারণ নির্ণয়
৭.৮ সময়ের গণ্ডি পেরিয়ে রূহানী সত্য অনুধাবনের ফলে কালবের পরিশুদ্ধি
৭.৯ অতীত গায়েবী রহস্য জানার পর তা শরীয়তের সীমানায় গোপন রাখার বিধান
৭.১০ অতীতের শিক্ষা কাজে লাগিয়ে বর্তমানের ইবাদত ও মুরাকাবা নিখুঁত করণ
অধ্যায় ৮: লতিফায়ে রব্বানী: রূহের সুপ্ত নূরী শক্তি জাগ্রত করার মহাসাধ্য
৮.১ লতিফায়ে রব্বানী বা কুণ্ডলিনী: মানবদেহে সুপ্ত অসীম রূহানী শক্তির পরিচয়
৮.২ ১২০ দিনের দীর্ঘ ও কঠোর মুরাকাবার মাধ্যমে এই সুপ্ত শক্তি জাগ্রত করার প্রস্তুতি
৮.৩ নফসকে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনতে আমিষ বর্জন ও শরীয়তের কঠোর পাবন্দি
৮.৪ সূরা ইখলাস-এর তাওহীদী শক্তি এবং লতিফার স্তরগুলোর সাথে এর সংযোগ
৮.৫ চোখ বন্ধ করে প্রতিদিন ৩১২৫ বার সূরা ইখলাস জপের নূরানী প্রভাব
৮.৬ ৪০ দিনের মাথায় কালবে অলৌকিক ক্ষমতার প্রথম স্ফুরণ ও রূহানী কম্পন অনুভব
৮.৭ ১২০ দিন সাধনা চলমান রাখলে লতিফার সম্পূর্ণ জাগরণ এবং নূরের বিচ্ছুরণ
৮.৮ এই অসীম শক্তি জাগ্রত হওয়ার পর স্বেচ্ছায় রূহ ও দেহের বিচ্ছেদ ঘটানোর ক্ষমতা
৮.৯ এই রূহানী শক্তি দ্বারা নিমেষে পৃথিবীর যেকোনো স্থানে বিচরণের গায়েবী যোগ্যতা
৮.১০ অর্জিত এই অলৌকিক ক্ষমতা নফসের অহংকারে নষ্ট না করার কড়া সতর্কবার্তা
অধ্যায় ৯: সামাওয়াত ও আরাদিন: সপ্ত আসমান ও সপ্ত জমিনে রূহের বিচরণ
৯.১ সপ্ত আসমান (সামাওয়াত)-এর রূহানী স্তর এবং সেখানে প্রবেশের আধ্যাত্মিক পাসওয়ার্ড
৯.২ “বিহাক্কে আলহামদুলিল্লাহি রব্বিল আলামীন” জপের মাধ্যমে ঊর্ধ্বমুখী সফরের সূচনা
৯.৩ সপ্ত আসমানের প্রতিটি স্তরের নূরী পরিবেশ ও ফেরেশতাদের মাকাম দর্শন
৯.৪ আসমানী সফরে নবীগণের রূহের সাথে মোলাকাত ও ফয়েজ লাভের সম্ভাবনা
৯.৫ সপ্ত জমিন (আরাদিন)-এর গায়েবী রহস্য এবং নিম্নমুখী রূহানী সফরের হাকিকত
৯.৬ সপ্ত জমিনের লুকায়িত রহস্য, জিন জগত ও মাটির নিচের গায়েবী স্তর দর্শন
৯.৭ আসমান ও জমিনের এই বিশাল সফরে রূহের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আমল
৯.৮ সপ্ত আসমান ও জমিনের কুদরত দর্শনের পর আল্লাহর প্রতি তাওয়াক্কুল বৃদ্ধি
৯.৯ ঊর্ধ্ব ও নিম্ন জগতের ভারসাম্য বজায় রেখে রূহকে পুনরায় দেহে ফিরিয়ে আনা
৯.১০ এই গায়েবী সফরের অভিজ্ঞতাকে আত্মশুদ্ধি ও ইবাদতের হাতিয়ার হিসেবে গ্রহণ
অধ্যায় ১০: গায়েবী পর্দা উন্মোচন: সৃষ্টির বিভিন্ন অদৃশ্য স্তরে (ডাইমেনশন) প্রবেশ
১০.১ সাধারণ ডাইমেনশনের বাইরে সৃষ্টির আরও অসংখ্য গায়েবী স্তরের অস্তিত্ব
১০.২ এই অদৃশ্য স্তরগুলোতে প্রবেশের জন্য রূহের ফ্রিকোয়েন্সি বা নূরী স্পন্দন পরিবর্তন
১০.৩ নির্দিষ্ট ইসমে আযম ১০০০ বার জপের মাধ্যমে গায়েবী ডাইমেনশনের পর্দা উন্মোচন
১০.৪ প্রতিটি নতুন স্তরে প্রবেশের সময় রূহের যে রূহানী ও মানসিক পরিবর্তন ঘটে
১০.৫ অন্যান্য ডাইমেনশনে বসবাসকারী নূরী বা গায়েবী মাখলুকাতের সাথে আত্মিক সংযোগ
১০.৬ বিভিন্ন মাত্রার জগতে সময়ের ভিন্নতা এবং রূহানী অনুভূতির তীব্রতা
১০.৭ ৪১ দিনের সাধনায় যেকোনো সময় ইচ্ছামতো ডাইমেনশন পরিবর্তনের ক্ষমতা অর্জন
১০.৮ এই সফরের মাধ্যমে মহাবিশ্বের সৃষ্টিরহস্যের জ্যামিতিক ও আধ্যাত্মিক জ্ঞান লাভ
১০.৯ অদৃশ্য জগত থেকে প্রাপ্ত জ্ঞানকে দুনিয়াবী কল্যাণে ও হেদায়েতে কাজে লাগানো
১০.১০ রূহানী বিচরণের এই ক্ষমতাকে নফসের ধোঁকা থেকে সুরক্ষিত রাখার উপায়
অধ্যায় ১১: আলমে আরওয়াহ ও রূহানী চিকিৎসা: গায়েবী জগত থেকে রোগমুক্তি
১১.১ আলমে আরওয়াহ বা রূহের আদি জগতে ভ্রমণের জন্য চূড়ান্ত পর্যায়ের সাধনা
১১.২ “ইয়া রব, ইয়া রুহ, ইয়া রুহুল আরওয়াহি” ইসমে আযমের অসীম তাজাল্লী
১১.৩ রূহের জগতে ভ্রমণ করে অন্যান্য রূহ ও ফেরেশতাদের সাথে মোলাকাতের সুযোগ
১১.৪ স্পেশাল উপহার: রূহানী সফরের (অস্ট্রাল ট্রাভেল) মাধ্যমে যেকোনো শারীরিক রোগের চিকিৎসা
১১.৫ গায়েবী জগত থেকে রূহানী ফয়েজ এনে অসুস্থ ব্যক্তির কালব ও দেহে সঞ্চালন
১১.৬ রূহানী সফরের মাধ্যমে জিন, জাদু ও সিফলী আমল পরাস্ত করার দুর্লভ টেকনিক
১১.৭ জাদুগোস্ত ব্যক্তির শরীরে থাকা শয়তানি শক্তিকে রূহানী জগত থেকে ধ্বংস করা
১১.৮ প্রকৃতির আত্মতত্ত্ব এবং নিজের রূহের আত্মতত্ত্বের মাঝে সংযোগ স্থাপনের প্রক্রিয়া
১১.৯ মহাবিশ্বের প্রকৃতির সাথে মিশে গিয়ে অসীম আত্মিক শক্তি (হিলিং এনার্জি) অর্জন
১১.১০ রূহানী চিকিৎসার এই গায়েবী বিদ্যাকে মানবকল্যাণে নিঃস্বার্থভাবে ব্যবহারের কসম
অধ্যায় ১২: মুমিনের মিরাজ: বোরাকের দর্শন ও রূহানী সফরের ধ্যান (মেডিটেশন)
১২.১ মুমিনের মিরাজ: নামাজ ও মুরাকাবার মাধ্যমে রবের সাথে সরাসরি সংযোগ স্থাপন
১২.২ ধ্যানের প্রস্তুতি: অজু, কিবলামুখী হয়ে বসা এবং লজিক্যাল মাইন্ডকে দূরে রাখা
১২.৩ গভীর শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে নফসকে শান্ত করা এবং কনসিয়াস মাইন্ড ঝেড়ে ফেলা
১২.৪ কল্পনায় নিজেকে একটি আলোকময় (নূরী) শরীর হিসেবে দর্শনের রূহানী প্রক্রিয়া
১২.৫ নাভি থেকে মাথা পর্যন্ত ৭টি লতিফা বা চক্রে নূরের ঊর্ধ্বমুখী কুণ্ডলীর বিচরণ অনুভব
১২.৬ মহাবিশ্ব থেকে আগত নূরের খণ্ড মস্তিষ্কের ওপর ঘুরপাক খাওয়ার মোশাহেদা
১২.৭ শরীরের প্রতিটি অঙ্গে নূরের প্রবেশ এবং ‘আল্লাহু আকবর’ জিকিরের স্বয়ংক্রিয় স্পন্দন
১২.৮ রূহানী কম্পন শেষে স্বর্গীয় বাহন ‘বোরাক’-এর অবতরণ এবং তাতে উপবেশন
১২.৯ বোরাকে চড়ে আসমানের দিকে আরোহণ এবং নূরের ফেরেশতাদের পরিবেষ্টন দর্শন
১২.১০ রূহানী জগতের চূড়ান্ত দর্শন লাভ করে পুনরায় পরিশুদ্ধ কালব নিয়ে দেহে প্রত্যাবর্তন